বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে কোন কোন রিক্রুটিং এজেন্সি সিন্ডিকেটের চেষ্টা করছে, তা পুরোপুরি প্রকাশ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। বায়রার সভাপতি বলেন, সঠিক নাম আসেনি এখনো। কিন্তু নামকরা কিছু রাজনীতিবিদকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এজেন্সির নামগুলো পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লিখিত বক্তব্যে মোস্তফা মাহমুদ বলেন, ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় ১৫ লাখ লোক পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু পাঠানো হয়েছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৫০০ জন। আর অভিবাসন ফি ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও নেওয়া হয়েছে সাড়ে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। এভাবে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে।

বায়রা মহাসচিব আরও বলেন, দীর্ঘ তিন বছর বন্ধের পর গত বছরের ডিসেম্বরে মালয়েশিয়ার বাজার উন্মুক্ত করা হয়। কিন্তু সিন্ডিকেটের অপতৎপরতায় জনশক্তি রপ্তানি শুরু হয়নি।

বায়রার সভাপতি মোহাম্মদ ফারুক বলেন, মালয়েশিয়ার বাজারে অনেক জনশক্তি প্রয়োজন। অনেক কারখানা পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি। আগামী ৩ বছরে ১৫ থেকে ২০ লাখ বিদেশি শ্রমিক দরকার। তিনি বলেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শ্রমিক রপ্তানি হলে ১০ থেকে ১৫ লাখ লোকের কাছ থেকে ২০ থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশে প্রায় ১ হাজার ৭০০ এজেন্সি রয়েছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে রপ্তানি হলে মানুষের এজেন্সি পছন্দের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হবে। দুর্নীতি হবে, জনশক্তি রপ্তানি হ্রাস পাবে, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন