বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের ছোট ভাই কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদের স্ত্রী সাজেদা বেগম কালীগঞ্জের তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে সাজেদা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী মাহবুবুজ্জামান আহমেদ লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। আমি কালীগঞ্জ উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। আমার স্বামী দুবারের উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগে তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। অপর দিকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান একসময় বিএনপির রাজনীতি করতেন। এসব বিচারে আমি চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য, দল আমাকে মনোনয়ন দেয়নি, জনগণের ইচ্ছাপূরণে আমি ভোট লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করছি।’

লালমনিরহাট জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাবেক সাংসদ সফুরা বেগম বলেন, আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত না হয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে যে কেউ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে সাংগঠনিক যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সাজেদা বেগম তাঁর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করলে একই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও লালমনিরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে যাঁদের জয়লাভের সম্ভাবনা বেশি, জনপ্রিয়তা আছে, তাঁদের আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করলে তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২ নভেম্বর ছিল তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। তৃতীয় ধাপে ২৮ নভেম্বর তুষভান্ডারসহ লালমনিরহাট সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও কালীগঞ্জের ৮টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন