অনুষ্ঠানে শহিদুল আলমের পরিবার ও বন্ধুদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাজী নাজমা করিম, আইনজীবী রুপার্ট গ্রে, দিলরুবা করিম ও সোফিয়া করিম। শহিদুল আলম বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক শিল্পকলা পদক (২০১৪), লুসি ফাউন্ডেশন থেকে হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাওয়ার্ডসহ (২০১৮) বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছেন। শহিদুল আলম কারাগারে থাকাকালীন সাহিত্য তাত্ত্বিক এবং নারীবাদী সমালোচক অধ্যাপক গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক তাঁর পক্ষে লুসি ফাউন্ডেশনের পুরস্কারটি গ্রহণ করেছিলেন।

শহিদুল আলম তাঁর পুরস্কার গ্রহণের সময় উদীয়মান গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে বলেন, ‘উদাসীনতার বিরুদ্ধে লড়াই করার এবং প্রকৃতপক্ষে লড়াই করার একমাত্র উপায় হলো এমন ভালো কাজ তৈরি করা, যার কারণে আপনাকে উপেক্ষা করা যাবে না এবং সেই কাজ চালিয়ে যেতে হবে। নিরলসভাবে কাজ করতে হবে। এটিই আপনার সেরা অস্ত্র, এটিই আপনার সুরক্ষা কবচ।’ শহিদুল আলম ১৯৮৩ সালে বেডফোর্ড কলেজ লন্ডন থেকে জৈব রসায়নে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।

বর্তমানে শহিদুল আলমের তিনটি প্রদর্শনী তিনটি পৃথক মহাদেশে প্রদর্শিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে রাইটউড ৬৫৯-এ ‘উই শ্যাল ডিফাই’, জার্মানিতে ডকুমেন্টা ১৫-এর অংশ হিসেবে কুন্সথাউস গটিংগেনে ‘টকিং টু মাই আর্কাইভ’ এবং ভারতের কলকাতার ইমামি আর্ট-এ ‘সিঞ্জডবাট নট বার্নড’ প্রদর্শিত হচ্ছে। বিখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা স্টাইডেল ‘টকিং টু মাই আর্কাইভ’ বই আকারে প্রকাশ করতে যাচ্ছে।

শহিদুল আলম বর্তমানে জামিনে মুক্ত রয়েছেন। বাংলাদেশের আইসিটি আইনে দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর সর্বনিম্ন সাত বছর ও সর্বোচ্চ চৌদ্দ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন