রাজধানীর শাহজাহানপুরে পাইপের ভেতর পড়ে যাওয়া শিশু জিহাদকে সম্মিলিত চেষ্টায় উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।

ফায়ার সার্ভিস গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি ও ধন্যবাদ জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে ফায়ার সার্ভিস বলেছে, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা পাঠিয়ে শিশুটির অবস্থান নিশ্চিত হতে না পারায় এবং জীবিত উদ্ধারের আশা ক্ষীণ হওয়ায় গত শনিবার দুপুরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম সীমিত করা হয়। তবে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা সমন্বিতভাবে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। বেলা তিনটার দিকে পাইপের মধ্যে শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত চেষ্টায় এবং ফায়ার সার্ভিসের রশি ব্যবহার করে জিহাদকে উদ্ধার করা হয়।

তবে কীভাবে কূপের ভেতর জিহাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয় এবং কোন পদ্ধতিতে তাকে উদ্ধার করা হয়, সে বিষয়টি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বেচ্ছাসেবী উদ্ধারকর্মীদের মতে, শনিবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান স্থগিত করে এবং রেলওয়ের কাছে পানির পাম্পটি হস্তান্তরের ঘোষণা দেয়। জিহাদকে উদ্ধার করা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মী ও সরঞ্জাম ঘটনাস্থলে ছিল। কিন্তু খাঁচা তৈরি এবং এর সঙ্গে ক্যামেরা বেঁধে নিচে নামিয়ে জিহাদকে টেনে বের করে আনার কাজটি কিছু উদ্যমী যুবক-তরুণই করেছেন। তাঁরা খাঁচাটি কূপের মুখে স্থাপনের জন্য ফায়ার সার্ভিসের ক্রেনের সহায়তা নিয়েছেন। যে রশিতে খাঁচাটি বাঁধা হয়, সেটিও ফায়ার সার্ভিসের ছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করা না গেলেও ২৩ ঘণ্টার অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রমে বিভিন্ন সংস্থা, স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় জনসাধারণ ও গণমাধ্যমকর্মীদের অক্লান্ত ও আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’ 

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন