সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) পাওনার পরিমাণ ৫৯ কোটি ২৫ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। জাতীয় সংসদে গতকাল রোববার টেবিলে উত্থাপিত হাজি মো. সেলিমের প্রশ্নের জবাবে সংসদকাজে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ তথ্য জানান।
বিটিসিএলের এই পাওনার মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে ১০ কোটি ৯০ লাখ ৯৫, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে ৮ কোটি ৩১ লাখ ৬১ হাজার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে ৫ কোটি ৮৬ লাখ ৪৬ হাজার এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ২ কোটি ৬৮ লাখ ৪৪ হাজার টাকা রয়েছে।
মনোয়ারা বেগমের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ভবিষ্যতে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে মোবাইল ফোনের সিম নিবন্ধন করা হবে। আশা করা যায় আগামী মাস থেকে এ-সংক্রান্ত কার্যাদেশ দেওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনে হুমকি ও চাঁদাবাজি ইত্যাদি বন্ধ করা সম্ভব হবে। সফুরা বেগমের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে বিটিসিএলের গ্রাহকসংখ্যা ৮ লাখ ৬ হাজার ৫১১ জন। ১৯৭২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বিটিসিএলের অনাদায়ী রাজস্বের পরিমাণ ৭০৩ কোটি টাকা।
নুরজাহান বেগমের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭২২ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রথম ছয় মাসে আদায় হয়েছে ৬০ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা। আদায়ের হার ৯৭ শতাংশ। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা বেশি। মামুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে বাণিজ্যিক ব্যাংকের পাওনার পরিমাণ ১১ হাজার ২৫৪ কোটি টাকা।
এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালে সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬২১ কোটি টাকা এবং সর্বনিম্ন রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ৭৩ কোটি টাকা আয় করেছে।
সামশুল হক চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০০৯-১০ থেকে চলতি অর্থবছর পর্যন্ত বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ৭ হাজার ৭৫০ মিলিয়ন এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের কাছ থেকে ৫ হাজার ৩২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্যের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। এ সময়ের মধ্যে বিশ্বব্যাংক ৩ হাজার ৩১৬ এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ৩ হাজার ২৪৮ মিলিয়ন ডলার ছাড় করেছে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন