বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ওমর ফারুকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সোহেল হায়দার চোধুরী বলেন, ‘বিএফইউজের নেতৃত্বে ঈদের পর সারা দেশে কঠোর আন্দোলন চাইছি আমরা। যদি ২৬ এপ্রিলের মধ্যে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া না হয়, তাহলে ওই দিনই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ডিএমপি কমিশনার ও নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। এরপর দু–তিন দিন অপেক্ষা করব। এই সময়ের মধ্যেও যদি ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে দুর্বার আন্দোলনে যাওয়া ছাড়া আমাদের কোনো পথ খোলা নাই।’

প্রশাসনের উদ্দেশে ডিইউজের সভাপতি আরও বলেন, ‘অনেক সময় দিয়েছি। অনেক সয়েছি। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আমরাই কেন বারবার নির্যাতনের শিকার হব?’ অধিকার আদায়ে সংবাদিকদের সব সংগঠনের ঐক্য প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ঐক্য না হলে গণমাধ্যম আইনের সংশোধনীর দাবিও আদায় করতে পারব না। বারবার হয়রানি-নির্যাতন-হত্যার শিকার হব, তারও বিচার পাব না।’

বিএফইউজে সভাপতি ওমর ফারুক বলেন, ‘এ ঘটনার সময়ে ওই এলাকার সংসদ সদস্যকে দেখা যায়নি। এমন জনপ্রতিনিধির আমাদের দরকার নাই। অবিলম্বে তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে।’ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ন্যায়বিচার না পেলে ঈদের পর বৃহত্তর কর্মসূচির মাধ্যমে রাজপথ ঘেরাও করা হবে বলে জানান বিএফইউজে সভাপতি।

ডিইউজের সাবেক সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদও এ ঘটনায় সরকারের দায় দেখছেন। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা স্থানীয় সংসদ সদস্যকে আজ পর্যন্ত দেখি নাই। যে দলেরই হোক, এমন সংসদ সদস্য আমাদের দরকার নাই।’ একই সঙ্গে দাঙ্গা-হাঙ্গামায় দায়িত্ব পালন করা সংবাদকর্মীদের নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে নিরাপত্তা সরঞ্জাম নিশ্চিত করার দাবি করেন তিনি।

বিক্ষোভ সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু। আরও বক্তব্য দেন টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোশিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক জীবন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন