বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার বিকেলে অনলাইনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন পাঁচ সংগঠনের নেতারা। সংগঠনগুলো হলো মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক), বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি, ব্লাস্ট ও নারীপক্ষ।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, রোজিনা ইসলামের ঘটনায় সাংবাদিকদের একাত্মতায় তাঁরা অভিভূত। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এমন আন্দোলনে পাশে আছে সব সময়।

মানবাধিকারকর্মী সারা হোসেন বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে মুক্ত সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে ৯৮ বছরের পুরোনো ঔপনিবেশিক আইন। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তার ঘটনায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ যে তদন্ত কমিটি গঠিন করেছে, তা নিরপেক্ষ নয়।

জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সালমা আলী বলেন, রোজিনাকে হেনস্তার ঘটনায় তাঁর পরিবার সম্মতি দিলে পিটিশন দাখিল করা যেতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গোপন তথ্যের জন্য আটটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করা আছে। এর মধ্যে তো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নেই। এমনকি তথ্য সেখান থেকে ফাঁস হওয়ার চেষ্টা হয়েছে, তা কেন জানানো হচ্ছে না?

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন নীনা গোস্বামী ও তামান্না খান। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের জ্যেষ্ঠ সমন্বয়ক শাহানা হুদা এবং সঞ্চালনা করেন সংস্থাটির পরিচালক রীনা রায়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে তাদের তিনটি সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এগুলো হলো রোজিনা ইসলামকে আইনি সহায়তা প্রদান, তাঁকে নির্যাতনের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি এবং অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কাজ চালিয়ে যাওয়া।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন