এরপর সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম তাঁর পাসপোর্ট, প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড ও দুটি মুঠোফোন নিজের জিম্মায় চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। এ আবেদন গত ১৯ সেপ্টেম্বর নাকচ করেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (সিএমএম)। ওই আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন আবেদন করেন তিনি। গতকাল ওই রিভিশন আবেদনের বিষয়ে শুনানি গ্রহণ করেন আদালত।

শুনানিকালে রোজিনা ইসলামের আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার আদালতকে বলেন, জামিন নেওয়ার সময় আদালতের শর্ত অনুযায়ী রোজিনা ইসলামের পাসপোর্টটি জমা দেওয়া হয়। ওই আদেশ শিথিল করে তাঁর পাসপোর্টটি ফেরত দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। তিনি আরও বলেন, আগে থেকেই রোজিনা ইসলাম শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন এবং তিনি বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতেন। এখনো তিনি অসুস্থ। দীর্ঘদিন পাসপোর্ট আদালতে জমা থাকায় তিনি চিকিৎসা নিতে বিদেশে যেতে পারছেন না। প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ডটি জব্দ থাকায় তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না।

এ পর্যায়ে আদালত জানতে চান, মামলার জব্দ করা আলামতের বিষয়ে কোনো প্রতিবেদন এসেছে কি না? জবাবে রোজিনার আইনজীবী আদালতকে বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা সিএমএম আদালতে শুনানিকালে উপস্থিত হয়ে জানিয়েছিলেন, আলামতের বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ।

গতকালের শুনানিতে আরও উপস্থিত ছিলেন রোজিনা ইসলামের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী।

রোজিনা ইসলাম সাহসী সাংবাদিকতার জন্য এ বছর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামভিত্তিক সংস্থা ফ্রি প্রেস আনলিমিটেডের ‘ফ্রি প্রেস অ্যাওয়ার্ড-২০২১’ পেয়েছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন