বিজ্ঞাপন

লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জুবায়ের এবং কোষাধ্যক্ষ আ স ম মাসুম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখার ঘটনা রীতিমতো উদ্বেগজনক। সেখানে তাঁর ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের যেসব ছবি এবং ভিডিও দেখা গেছে, তা বাংলাদেশের সচিবালয়ের সরকারি কর্মকর্তাদের আচরণ এবং পেশাদারত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের নেতারা বলেন, সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের ওপর তথ্য চুরির যে অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা হাস্যকর। কেননা, অনুসন্ধানী সাংবাদিকের কাজই হচ্ছে জনগণ ও দেশের স্বার্থে গোপন তথ্য ফাঁস করা। তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দুর্নীতি এবং অনিয়ম নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন করেছেন, যা বেশ আলোচিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদনের কারণেই সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের আক্রোশের শিকার হয়ে থাকতে পারেন। এ ঘটনাকে দেশের স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেন তাঁরা।

default-image

বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম কয়েক সপ্তাহ আগেই কাশিমপুর কারাগারের দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন করেছেন। অথচ তাঁকে এখন সেই কারাগারেই আটক রাখা হয়েছে। এটি দুঃখজনক।

লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাব নেতারা বলেন, ‘আমরা সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি এবং তাঁকে সব ধরনের পুলিশি হয়রানি থেকে মুক্ত রাখার দাবি জানাচ্ছি। আর যেসব সরকারি কর্মকর্তা পেশাদারত্ব ও দায়িত্ব ভুলে একজন সাংবাদিকের ওপর এভাবে চড়াও হয়েছেন, তাঁদের শাস্তি দাবি করছি। এ ছাড়া আমরা ১৯২৩ সালের “অফিশিয়াল সিক্রেট অ্যাক্টে” সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার বন্ধের আহ্বান জানাই।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন