বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাংসদের নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণের বৈধতা নিয়ে ওই নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল বাতেন ১৮ নভেম্বর রিটটি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান ও মো. সাইফুল আলম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

বেড়া পৌরসভা নির্বাচন ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর আগে ১৪ নভেম্বর সাংসদ শামসুল হকের প্রতি পাবনার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ওই চিঠি পাঠান। এতে বলা হয়, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নির্বাচনী এলাকায় প্রচার বা নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। বেড়া পৌরসভা সাধারণ নির্বাচন প্রভাবমুক্তভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে পৌরসভা বিধিমালার (নির্বাচন আচরণ) বিধান অনুযায়ী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি তথা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

আইনজীবী মো. সাইফুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই চিঠির পর ২১ নভেম্বর ‘মায়াদয়া করব না, পিষে দেব’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন ছাপা হয়, যা আদালতে তুলে ধরা হয়। এর আগে ১৪ নভেম্বর সাংসদ শামসুল হককে ওই চিঠি পাঠান জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। ১৪ নভেম্বরের চিঠি কতটুকু কার্যকর হয়েছে বা বাস্তবায়িত হয়েছে কি না, তা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জানাতে বলেছেন আদালত। প্রতিবেদন আকারে বেড়া পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানাতে বলা হয়েছে। ২৫ নভেম্বর রিটটি কার্যতালিকায় আসবে। অপর রিটের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী আবদুল বাতেন ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতেও বলা হয়েছে।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন