বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরে আদালতে রিটটি উপস্থাপন করেন আইনজীবী সারা হোসেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী শারমিন আকতার।

সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ (৪) ধারার ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি যখন বলাৎকার বা শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে ফোজদারিতে সোপর্দ হন, তখন দেখানো যেতে পারে যে অভিযোগকারী সাধারণভাবে দুশ্চরিত্রা।

আর জেরায় আইনসংগত প্রশ্নসংক্রান্ত ১৪৬ (৩) ধারার ভাষ্য, চরিত্রের প্রতি আঘাত করে তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা যায়, যদিও তার প্রশ্নের উত্তরের দ্বারা তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সঙ্গে জড়িত হতে পারেন, তিনি দণ্ড লাভের যোগ্য সাব্যস্ত হতে পারেন কিংবা প্রত্যক্ষ–পরোক্ষভাবে তার দণ্ড লাভের যোগ্য সাব্যস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আইনজীবী শারমিন আকতার প্রথম আলোকে জানান, ওই ধারা দুটি সংবিধানের মৌলিক অধিকার ও আইনের দৃষ্টিতে সমতার সুযোগের পরিপন্থী। মূলত এ যুক্তিতে রিটটি করা হয়েছে। কাল সোমবার রিটের ওপর শুনানি হতে পারে।

রিটের প্রার্থনায় দেখা যায়, ওই দুটি ধারা কেন অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছে। রিটে আইনসচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন