default-image

বঙ্গোপসাগরে ভাসানচর-১ বয়ার কাছে চিনি বোঝাই একটি লাইটার জাহাজ ডুবে গেছে। আজ বুধবার সকাল নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। জাহাজটির ১২ জন নাবিকের মধ্যে ১১ জন উদ্ধার হয়েছে। একজনের এখনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

ডুবে যাওয়া ‘এমভি আল নুর-১’ জাহাজের নিখোঁজ নাবিকের নাম গিয়াস উদ্দিন। তিনি জাহাজটিতে বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁকে উদ্ধারে নৌবাহিনী চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

জাহাজটি ডুবে যাওয়ার সময় কাছাকাছি ছিলেন আকিজ গ্রুপের লাইটার জাহাজ ‘এমভি আকিজ লজিস্টিকস ২৭’ এর মাস্টার তাজুল ইসলাম। মোবাইলে তিনি প্রথম আলোকে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, চিনি বোঝাই ‘এমভি আল নুর-১’ জাহাজের মাস্টার বেতারবার্তায় ‘আমাদের বাঁচান’ বলে সাহায্য চাইছিলেন। প্রচণ্ড স্রোতে জাহাজটির তলা ফেটে ইঞ্জিনকক্ষে পানি ঢুকে ডুবে যাচ্ছিল। এ সময় দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি পানিতে ভেসে থাকা পাঁচজন নাবিককে উদ্ধার করি। কাছাকাছি থাকা ‘এমভি সাকসেস ৩৩’ নামের আকিজ গ্রুপের আরেকটি জাহাজে ছয়জনকে তোলা হয়। কয়েক ঘণ্টা অবস্থান করেও গিয়াস উদ্দিনের খোঁজ পাওয়া যায়নি।

ডুবে যাওয়া জাহাজটিতে দেশবন্ধু গ্রুপের আমদানি করা অপরিশোধিত চিনি ছিল। চিনির পরিমাণ ৯৫০ টন। চট্টগ্রাম বন্দরে বড় জাহাজ থেকে চিনি নিয়ে জাহাজটি নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় অবস্থিত দেশবন্ধু গ্রুপের চিনির কারখানায় নেওয়া হচ্ছিল। তবে তার আগেই এই দুর্ঘটনায় পড়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক মোহাম্মদ সেলিম প্রথম আলোকে জানান, তিন নম্বর সংকেতের কারণে সৃষ্ট প্রবল ঢেউয়ে জাহাজটির তলা ফেটে ডুবে যায়। অশোধিত চিনি পানিতে মিশে জাহাজটি হালকা হয়ে যায়। এটি এখন জোয়ারে ভাসানচরের কাছে চরের দিকে যাচ্ছে। জাহাজটির মালিকপক্ষকে এটি দ্রুত উদ্ধার করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0