বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের টানা অবরোধের ৪৬তম দিন গতকাল শুক্রবার রাত ১০টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৫ জনকে আটক বা গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নাশকতায় জড়িত থাকার অভিযোগ ও মামলাসহ বিভিন্ন ঘটনায় তাঁদের আটক করা হয়। তাঁদের অধিকাংশই বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মী-সমর্থক। আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সাতক্ষীরায় গত বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপি-জামায়াতের ছয় কর্মীসহ ২১ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মাসুদ মিয়া নামের এক ইউপি সদস্যকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। উপজেলার অরুয়াইল গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। পুলিশের দাবি, তিনি অর্ধডজন মামলার পলাতক আসামি।
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বৃহস্পতিবার রাতে যুবদলের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা হলেন ভাঙ্গা পৌর যুবদলের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সদস্য ওলি মোল্লা ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আছাদ মিয়া।
গাইবান্ধায় বিএনপি-জামায়াতের ১২ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। তাঁদের মধ্যে ৬ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধার তুলসীঘাটে পেট্রলবোমা মেরে আটজনকে হত্যা মামলার আসামিও রয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত থেকে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সুনামগঞ্জে গতকাল বিএনপির এক ও জামায়াতের চার কর্মী-সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের সরকারি মুজিব কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সামছুল আলমকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
দিনাজপুর শহরের মুন্সীপাড়া এলাকায় গতকাল বিকেলে অভিযান চালিয়ে ১২টি পেট্রলবোমা উদ্ধার করেছে র্যাব। এ ঘটনায় জেলা জামায়াতের সদস্য মো. হারুন অর রশীদ ও দেবেন চন্দ্র দাস নামের আরেক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
{প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন প্রথম আলোর সংশ্লিষ্ট এলাকার নিজস্ব প্রতিবেদকপ্রতিনিধিরা}

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন