বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সব মেট্রোপলিটন, রেঞ্জ ও জেলা পুলিশ সুপার এবং বিশেষায়িত ইউনিটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ভার্চ্যুয়াল সভায় বেনজীর আহমেদ ওই নির্দেশনা দিয়েছেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের নির্দেশিকা আছে। বৃহস্পতিবারের সভায় আবার এ নির্দেশনার কথা মনে করিয়ে দেন পুলিশ মহাপরিদর্শক।

ঈদকে কেন্দ্র করে বিশেষায়িত নৌ পুলিশ, শিল্প পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ ইউনিটকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন বেনজীর আহমেদ। ঈদযাত্রায় কেউ কোনো সমস্যায় পড়লে তাঁকে সহযোগিতা করার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সভায় সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ এহসান সাত্তার ঈদকে কেন্দ্র করে বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরেন। এতে বিপণিবিতান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল, রেলস্টেশন, ঈদ জামাত ও বিনোদনকেন্দ্রকেন্দ্রিক নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেন তিনি।

বিপণিবিতান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক নিরাপত্তায় পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি নারী পুলিশ ও সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে বলে সভায় জানানো হয়। বড় ধরনের আর্থিক লেনদেন বা অর্থ পরিবহনের ক্ষেত্রে ‘মানি এস্কর্ট’ দেওয়ার বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় ঈদগাহসহ দেশের প্রধান প্রধান ঈদ জামাতস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সভায়।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাস–ট্রেনের ছাদে ও নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে ভ্রমণ না করার জন্য যাত্রীসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. মইনুর রহমান চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক এম খুরশীদ হোসেন, উপমহাপরিদর্শক ওয়াই এম বেলালুর রহমান, উপমহাপরিদর্শক মো. হায়দার আলী খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন