বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা জানান, ২০১৩ সালের ২ নভেম্বর রাজীব নামের এক হিন্দু যুবকের ফেসবুক আইডি থেকে ধর্মকে কটাক্ষ করে পোস্ট দেওয়া হয়। এ ঘটনায় মুসলিমরা ক্ষুব্ধ হন। তাঁরা রাজীবের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালান এবং আগুন লাগিয়ে দেন।

বিষয়টি তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, আমিনুল এহসান তাঁর ফটোকপির দোকান থেকে ধর্মীয় অবমাননাকর ছবি বিক্রি করেন। আর খোকন তা জহিরুলের কম্পিউটারের দোকান থেকে রাজীবের ফেসবুক আইডিতে আপলোড করেন। এ ব্যাপারে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় আতাইকুলা থানায় ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ।

default-image

এরপর পুলিশ বিভিন্ন সময় আটজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের মধ্যে আমিনুল ও জহিরুল নিজেদের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। আদালত ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ রায় দিলেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সাতজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

আইনজীবী ইসমত আরা জানান, রায় ঘোষণার সময় আটজন আদালতে ছিলেন। শুধু সাজাপ্রাপ্ত খোকন ও খালাস পাওয়া আরেকজন পলাতক ব্যক্তি হাজির হননি। রায় ঘোষণার পর সাজাপ্রাপ্ত দুজনকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন