শেখ হাসিনা বলেন, বিভিন্ন থানায় সার্ভিস ডেস্ক স্থাপিত হওয়ায় নারীদের জন্য অন্যায়ের প্রতিকার চাওয়ার একটা সুযোগ সৃষ্টি হবে। গৃহহীন পরিবারের জন্য পুলিশের ঘর নির্মাণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির জনকের আকাঙ্ক্ষা ছিল, বাংলাদেশের পুলিশ হবে জনগণের পুলিশ। আর পুলিশের এই দুটি উদ্যোগই গণমুখী হয়েছে। তিনি পুলিশকে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।

ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে মূল অনুষ্ঠান হয়। এই অনুষ্ঠানে দেশের সব থানা, পুলিশ রেঞ্জ ও পুলিশ লাইন সংযুক্ত ছিল। অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সদস্য ও উপকারভোগী ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদও বক্তৃতা করেন। অতিরিক্ত আইজিপি নুরুর রহমান ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের দুটি মানবিক উদ্যোগ ‘সার্ভিস ডেস্ক’ ও ভূমিহীনদের জন্য ঘর নির্মাণের ওপর একটি অডিও-ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

‘সার্ভিস ডেস্ক’ খোলার জন্য প্রতিটি থানায় আলাদা কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একজন বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত নারী সাব-ইন্সপেক্টর প্রশিক্ষিত নারী অফিসারদের সঙ্গে ডেস্কের নেতৃত্ব দেবেন।

এ ছাড়া ডেস্কগুলোকে অন্যান্য সরকারি পরিষেবা সম্পর্কে জনগণকে অবহিতের পাশাপাশি আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তিদের আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

গৃহহীন মানুষের জন্য সারা দেশে ৫২০টি থানায় একটি করে বাড়ি তৈরি করবে পুলিশ। প্রথম দফায় ৪০০ বাড়ি হস্তান্তর করা হলো। ঘরগুলো মানসম্মত ও আধুনিক নির্মাণসামগ্রী দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ঘরগুলো ভূমিকম্প ও গরম প্রতিরোধক।