বিজ্ঞাপন

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৭ মে শামসুল হক কর্মস্থল থেকে বের হয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে কেরানীগঞ্জের গদারবাগ সোনার বাংলা আবাসিক প্রকল্প এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় সেখানে ওত পেতে থাকা ছিনতাইকারী দলের সদস্য হৃদয় হোসেন পেছন থেকে শামসুলের পিঠে ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় শামসুল ধস্তাধস্তি করলে অপর ছিনতাইকারী শামীম তাঁকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। একপর্যায়ে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়লে তাঁর দেহ তল্লাশি করে সাড়ে সাত হাজার টাকা ও একটি মুঠোফোন নিয়ে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় ৮ মে দুপুরে নিহত ব্যক্তির ভাতিজা আনারুল হক বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কেরানীগঞ্জ সার্কেল) শাহাবুদ্দিন কবীর বলেন, নিরাপত্তাপ্রহরী শামসুল হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শামীমকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে শামসুলের মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়। শামীমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে জড়িত হৃদয় ও সাগরকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও চারজনকে আটক করা হয়।

শাহাবুদ্দিন কবীর আরও বলেন, ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে নিরাপত্তাপ্রহরী শামসুলকে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক সাত ছিনতাইকারী পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে হত্যাসহ ডাকাতি মামলা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন