বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রুলে আদালতের আদেশ অমান্য করায় কেন তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার কার্যক্রম শুরু করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। সিইসি, ইসি সচিব, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বায়েজীদ আলম এবং ছাইনিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার রতন কান্তি শীলকে চার সপ্তাহের মধ্যে ওই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে আবেদনটি করেন আহম্মদ কবির, যিনি রাঙ্গুনিয়ার পোমরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ২ নম্বর ওয়ার্ডে সাধারণ আসনে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ বি এম আলতাফ হোসেন, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আবুল কাশেম। এর আগে গত ২৮ নভেম্বর ওই ওয়ার্ডে মেম্বার পদে নির্বাচন হয়।

পরে আইনজীবী এ বি এম আলতাফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, কেন্দ্রে ঘোষিত ফলাফল ও ভোটার হিসাবে গরমিল থাকায় ভোট পুনরায় গণনা বা পুনর্নির্বাচন ও ইস্যু করা ব্যালট পেপারের সঠিক হিসাব নির্ণয়ের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর গত ২ ডিসেম্বর আবেদন দেন আহম্মদ কবির। এতে ফল না পেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন তিনি। শুনানি নিয়ে গত ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্ট আবেদনটি ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে ও আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওয়ার্ডটির ফলাফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত করেন। গত ২৩ ডিসেম্বর ওই ওয়ার্ডের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হয়। তবে সিইসির কাছে আহম্মদ কবিরের করা আবেদনটি নিষ্পত্তি করা হয়নি, যা আদালত অবমাননার শামিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট সিইসিসহ পাঁচ কর্মকর্তার প্রতি আদালত অবমাননার ওই রুল দিয়েছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন