বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। তিনি বলেন, ‘রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন আজ থেকে এক শ বছর আগে যা বলেছেন, যা লিখেছেন, তা এখনো আমাদের জীবনে প্রাসঙ্গিক। এখনো তাঁর সাহিত্য আমাদের উজ্জীবিত করে। আগে আমরা ছোটবেলায় ক্লাসে রোকেয়া রচনা পড়তাম, রোকেয়া পাঠের একটা চল ছিল। আজ জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ও ঢাকার পাঠাগারগুলোর রোকেয়া পাঠ আমাদের সে সংস্কৃতি ও পাঠের ধারাকে শক্তিশালী করেছে, যা দেখে আমি খুবই আপ্লুত হয়েছি।’

আলোচনায় অংশ নিয়ে কথাসাহিত্যিক ঝর্ণা রহমান বলেন, এখনকার তরুণদের কল্পনাশক্তি বাড়াতে হবে, অনুধাবন করতে হবে কেমন প্রতিকূলতার মধ্যে বেগম রোকেয়া সমাজের কুসংস্কারের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস করেছেন।

অন্যতম আলোচকের বক্তব্যে সাংবাদিক গবেষক কাজী আলিম–উজ–জামান বলেন, বেগম রোকেয়ার মতো সমাজ সংস্কারকেরা যে আদর্শ রেখে গেছেন, এখনকার পাঠাগারগুলোকে তা প্রচার করে যেতে হবে। এর মধ্য দিয়ে পাঠাগারগুলোতে একধরনের সক্রিয়তা আসবে।

default-image

সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক কবি মিনার মনসুর জানান, ঢাকার দনিয়া পাঠাগারে এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রোকেয়ার জন্মজয়ন্তী উদ্‌যাপন শুরু হলো। এর শেষটা হবে রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে রোকেয়ার জন্মস্থানে রংপুরের পাঠাগারগুলোকে সঙ্গে নিয়ে। তিনি বলেন, ‘দেশের পাঠাগারগুলোকে সচল রাখতে, পাঠাগার আন্দোলন অব্যাহত রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

অনুষ্ঠানে ঢাকার বেসরকারি পাঠাগারের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থবিতানের মো. জহিরউদ্দিন, গেন্ডারিয়ার কামাল স্মৃতি পাঠাগারের আবু তাহের (বকুল) খিলগাঁওয়ের শহীদ বাকী স্মৃতি পাঠাগারের সম্পাদক আনিসুল হোসেন (তারেক) প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই নৃত্য পরিবেশন করে দনিয়া সবুজ কুঁড়ি কচিকাঁচার মেলার সদস্য ইনিশা হাফিজ। গান পরিবেশনা করেন সুরসাগর ললিতকলা একাডেমির মুক্তি ও তাহমিদ।

পরবর্তী পর্যায়ে রোকেয়া সাহিত্য পাঠচক্র থেকে পাঠপ্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন দনিয়া পাঠাগারের সদস্য হাফসা সাবা এবং শাহরিয়ার অভি।
সংস্কৃতিকর্মী ও সীমান্ত গ্রন্থাগারের মানজার হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন দনিয়া পাঠাগারের সভাপতি মো. শাহনেওয়াজ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন