বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূইয়া প্রথম আলোকে বলেন, উজানে বৃষ্টি কমে এলেও এরই মধ্যে যে পরিমাণ ঢলের পানি এসেছে, তা এখন নামছে। ফলে সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও হবিগঞ্জের নদ-নদীর পানি বাড়ছে। নতুন করে উজানে বৃষ্টি না হলে দুই-তিন দিনের মধ্যে ঢলের পানি নেমে যাবে। তবে যেসব হাওরে পানি ঢুকেছে, তা নামার সম্ভাবনা কম।

এদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাওরগুলোতে বর্তমানে পাকা বোরো ধান রয়েছে। স্থানীয় কৃষকেরা ঢলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ধান কাটা শুরু করেছেন।

এরই মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর জমির ফসল কাটা হয়েছে। আর সাড়ে ৭ হাজার হেক্টরের ধান তলিয়ে গেছে। টাকার অঙ্কে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ কোটি টাকার ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক এলাকায় নতুন করে পানি প্রবেশ করায় ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে পারে।
রোববার তাহিরপুরের গুরমাও হাওরে নতুন করে পানি প্রবেশ করেছে। তবে সেখানকার ৫০০ হেক্টর জমির মধ্যে ৩০০ হেক্টর জমির ধান এরই মধ্যে কাটা হয়ে গেছে। বাকি জমির ধান রক্ষায় দ্রুত তা কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে সুনামগঞ্জ জেলার জন্য ৫০০টি ধান কাটার স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টার আনা হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এই তথ্য জানিয়েছে।

অধিদপ্তরের সুনামগঞ্জ জেলার উপপরিচালক বিমল চন্দ্র সোম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা স্থানীয় কৃষকদের নির্দেশ দিয়েছি ৮০ শতাংশ ধান পাকলেই যেন কেটে ফেলা হয়। তাহলে ধানের গুণাগুণের কোনো ক্ষতি হবে না।’ তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া ধান কাটার জন্য সরকারিভাবে শ্রমিক ও ধান কাটার যন্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আশা করি এবার বড় ধরনের ক্ষতি হবে না। এখন আবহাওয়া যেমন আছে, তেমন থাকলে হাওরের বেশির ভাগ ধান নতুন করে ঢল নামার আগেই কেটে ফেলা যাবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন