সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। সীমান্ত সম্মেলন শেষে গতকাল সোমবার দুই দেশের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়। ২৫ ডিসেম্বর থেকে পিলখানা সদর দপ্তরে শুরু হওয়া পাঁচ দিনের সীমান্ত সম্মেলন গতকাল শেষ হয়েছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মহাপরিচালক দেবেন্দ্র কুমার পাঠকের নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি দল সম্মেলনে যোগ দেয়। বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন ২৩ জনের একটি দল। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ এতে নেতৃত্ব দেন। সম্মেলনের শেষে গতকাল পিলখানায় দুই বাহিনীর মহাপরিচালক সম্মেলনের ব্যাপারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।    

সংবাদ সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক আজিজ আহমেদ বলেন, সীমান্তে হত্যা শূন্যে আনা সম্ভব হয়নি বলে প্রতি সম্মেলনেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। মৃত্যুর বিষয়টিই ১ নম্বর এজেন্ডা। তা শূন্যে নামিয়ে আনতে আপ্রাণ চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিএসএফ মহাপরিচালক দেবেন্দ্র কুমার পাঠক বলেন, সীমান্ত সম্মেলনে ভারত ও বাংলাদেশ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। এ সম্মেলন দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেবে। তিনি বলেন, ‘কারও একার পক্ষে সীমান্তে হত্যা বন্ধে কাজ করা সম্ভব নয়। এ জন্য বিজিবি-বিএসএফ যৌথভাবে সীমান্তে হত্যা বন্ধে কাজ করতে চায়। এ রকম ঘটনাকে আমরা শূন্যে নিয়ে আসতে চেষ্টা করছি।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, বিএসএফ ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সীমান্ত সম্মেলনে বিবিজির সহায়তা চেয়েছিল। বিজিবি তাদের জানিয়েছে, বাংলাদেশে কোনো ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী নেই। কোনো দেশে কেউ ‘অপ্রীতিকর’ পরিস্থিতি তৈরি করলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন