default-image

ছুটি থাকলেও সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত বেশ কিছু মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সীমিত আকারে খুলেছে। আজ রোববার প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে মন্ত্রীসহ কিছুসংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।

তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ অফিস করেছেন। এ সময় নিজ কার্যালয়ে তিনি বলেন, করোনাভাইরাস যাতে বেশি না ছড়ায়, সে জন্য সরকার অনেকগুলো পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু ইতিমধ্যে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। এই ভাইরাস যাতে আরও না ছড়ায়, সে জন্য সবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা প্রয়োজন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলামও অফিস করেছেন। এ সময় তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া এবং গণমাধ্যম অনিয়মগুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে তুলে ধরায় এখন ত্রাণ নিয়ে অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে আছে। গুটি কয়েক জনপ্রতিনিধি এই অপরাধে জড়িত বলে মন্তব্য করেন তিনি। মশার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ারও আহ্বান জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও অফিস করেছেন। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক মন্ত্রণালয়ে যাননি বলে জানিয়েছেন তাঁর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি অফিসে সাধারণ ছুটির মেয়াদ আগামী ৫ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে ২৩ এপ্রিল প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এদিন অপর আদেশে বলা হয়েছিল, অন্যান্য জরুরি সেবার পাশাপাশি ১৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম ঢাকা ও সারা দেশে সীমিত পর্যায়ে চালু থাকবে। পরে সেটি বাদ দিয়ে বলা হয়, যেসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ জরুরি প্রয়োজন মনে করবে, তারা সীমিত আকারে চলবে।

এ ছাড়া ওষুধ শিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিসহ কলকারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে চালু রাখতে পারবে।
আজ কিছু তৈরি পোশাক কারখানাও খুলেছে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন