default-image

সুনামগঞ্জের ধরমপাশা ও নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আজ রোববার পানিতে ডুবে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

ধরমপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নওধার গ্রামের কৃষক খোকন মিয়ার তিন বছরের শিশু সাব্বির মিয়া আজ সকাল সাড়ে আটটার দিকে নিজ বাড়ির উঠানে খেলাধুলা করছিল। একপর্যায়ে সে বাড়ির সামনের ডোবার পানিতে ডুবে তলিয়ে যায়। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে ধরমপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। সকাল ১০টার দিকে একই গ্রামের সবুজ মিয়ার সাত বছর বয়সী শিশু ইয়াসিন মিয়া বাড়ির সামনের ডোবায় গোসল করতে গিয়ে তলিয়ে যায়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করে ধরমপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে ধরমপাশা উপজেলার সোলেমানপুর গ্রামের বাসিন্দা মঞ্জু সরকারের আড়াই বছরের শিশু অভিজিৎ সরকার বেলা ১১টার দিকে মনাই নদীর পানিতে পড়ে গিয়ে তলিয়ে যায়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভাসমান অবস্থায় স্থানীয় লোকজন ওই নদী থকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে।

পাইকুরাটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফেরদৌসুর রহমান তাঁর ইউনিয়নের নওধার গ্রামে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। এদিকে চামরদানীর ইউপি চেয়ারম্যান জাকিরুল আজাদ মান্না তাঁর ইউনিয়নের সোলেমানপুর গ্রামে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এদিকে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের আতদড়িয়া বিলে শাপলা ফুল তুলতে গিয়ে তৃতীয় শ্রেণির দুই ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আজ বেলা ১১টার দিকে মর্মান্তিক ওই ঘটনা ঘটে। দুই ছাত্রী হলো বানিয়াপাড়া গ্রামের অনাথ চন্দ্র রায়ের মেয়ে শ্যামলী রানী রায় (১০) এবং একই পাড়ার কানু চন্দ্র রায়ের মেয়ে মনীষা রানী রায় (৯)। তারা বড়ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

বড়ভিটা ইউপির চেয়ারম্যান ফজলার রহমান বলেন, ‘দুই বান্ধবী আতদড়িয়া বিলে শাপলা ফুল তুলতে গিয়ে বিলের পানিতে তলিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।’ কোনো অভিযোগ না থাকায় দুই ছাত্রীর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন অর রশীদ।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0