বিজ্ঞাপন

ঘটনার আট দিন পর গোয়েন্দা পুলিশ রবিউলকে তাঁর বাসা থেকে আটক করে। ২০ সেপ্টেম্বর তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এই ঘটনায় আটক অন্য চারজন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।


অভিযোগপত্র দাখিল করার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইমাম আবু জাফর বলেন, ঘটনাস্থল ও রবিউলের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা আলামত, ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরার ফুটেজ, ডিএনএ প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন বিষয়ে তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে কেবল রবিউলের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তাই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এই ঘটনায় অন্য যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে তাঁদের কোনো সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাঁদের নাম অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের একটি সূত্র জানায়, মামলার তদন্তের সময় ৩১টি আলামত জব্দ করা হয়। পুলিশসহ মোট ৫৩ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। সূত্রটি আরও জানায়, রবিউল আইপিএলসহ বিভিন্ন খেলায় বাজি ধরতেন, জুয়া খেলতেন। টেলিভিশনে ক্রাইম সিরিয়াল দেখা তাঁর নেশা ছিল। বাজিতে হেরে একটা সময় অর্থের প্রয়োজনে ইউএনওর ব্যাগ থেকে টাকা চুরি করেন তিনি। পরে তাঁর নামে বিভাগীয় মামলা ও চাকরিচ্যুত হলে ইউএনওর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে হামলার পরিকল্পনা করেন রবিউল।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন