সেচযন্ত্র চালানোর জন্য প্রায় তিন বছর আগে পল্লী বিদ্যুতের আঞ্চলিক কার্যালয়ে বিদ্যুৎ-সংযোগের জন্য আবেদন করেছেন নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর গ্রামের কৃষক মো. সহিদ আলম। কিন্তু তিনি এখনো বিদ্যুৎ-সংযোগ পাননি।
শুধু সহিদ আলম নন, বিদ্যুৎ-সংযোগের জন্য আবেদন করেছেন নোয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলার ২৪৭ জন। কিন্তু তাঁরা বিদ্যুৎ-সংযোগ পাননি। এতে অনেক কৃষক ঠিকমতো বোরো ফসল আবাদ করতে পারছেন না।
সম্প্রতি সেনবাগ, বেগমগঞ্জ ও সোনাইমুড়ী উপজেলার কয়েকজন কৃষক বলেন, বিদ্যুৎ-সংযোগ না পাওয়ায় তাঁরা বাধ্য হয়ে বাড়ির বিদ্যুৎ-সংযোগ থেকে সেচযন্ত্র পাম্প চালান। এ কারণে বাড়তি বিল গুনতে হয় তাঁদের। আবার আবাসিক সংযোগ থেকে সেচযন্ত্র চালানোর কারণে অনেক সময় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্র জানায়, সেচযন্ত্রে বিদ্যুৎ-সংযোগের জন্য সেনবাগে ১৮২টি, বেগমগঞ্জে পাঁচটি, চাটখিলে একটি, কবিরহাটে ১৭টি, কোম্পানীগঞ্জে ৩১টি ও সোনাইমুড়ী উপজেলার ১১টি আবেদন জমা পড়েছে।
সূত্র জানায়, এসব উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের লাইন ও সাব-স্টেশনগুলোতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত লোড থাকায় ২০০৮ সাল থেকে নতুন করে সেচযন্ত্রের জন্য বিদ্যুৎ-সংযোগ দেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যস্থাপক (জিএম) শংকর লাল দত্ত প্রথম আলোকে বলেন, যেসব বিদ্যুৎ লাইনে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত লোড আছে, সেগুলোর ক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চলছে। তা ছাড়া সেনবাগ, বেগমগঞ্জ ও চাটখিল উপজেলায় এরই মধ্যে তিনটি সাব-স্টেশন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। কবিরহাট উপজেলায় শিগগিরই একটি সাব-স্টেশন নির্মাণের কাজ শুরু হবে। এসব কাজ শেষ হলে আগামী বছর সেচ মৌসুম শুরুর আগেই সেচযন্ত্রের জন্য নতুন সংযোগ দেওয়া যাবে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন