মন্ত্রণালয়ের ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আবুল কাউসার নামের একজন গ্রাহক গত সপ্তাহে হাইকোর্টে রিটটি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খন্দকার মোহাম্মদ মুশফিকুল হুদা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

পরে আইনজীবী খন্দকার মোহাম্মদ মুশফিকুল হুদা প্রথম আলোকে বলেন, ২০০৬ সালের কেব্‌ল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন এবং ২০১০ সালের কেব্‌ল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা বিধিমালা ও লাইসেন্সিং বিধিমালা অনুসারে আইনি কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে। তবে ডিজিটালাইজেশন নীতিমালা বা গাইডলাইন প্রণয়নের জন্য কেব্‌ল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বা ডিস্ট্রিবিউটরদের এ–সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ইম্পুট মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে ২৮ এপ্রিলের সিদ্ধান্তে। অর্থাৎ আইনি কাঠামো হয়নি। তাই ওই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট আইনবিধি ও সংবিধানের পরিপন্থী বলে রিটটি করা হয়।

যথাযথ আইনি নীতিমালা বা কাঠামো নিশ্চিত না করে গত ২৮ এপ্রিল তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নেওয়া ওই সিদ্ধান্ত কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিটিভির মহাপরিচালকসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন