default-image

টানা হরতাল-অবরোধে পর্যটকশূন্য কক্সবাজার। ফলে সৈকতের পাশের ঝিনুক মার্কেটেও ক্রেতা নেই। লোকসানের ধকল সইতে না পেরে ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে অনেক দোকান। অন্যগুলোও বন্ধ হওয়ার পথে।
১২ ফেব্রুয়ারি সরেজমিনে দেখা গেছে, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্টের ঝিনুক মার্কেট ও আশপাশে দোকান রয়েছে ২৪৫টি। এর মধ্যে ১৫২টি বন্ধ। বাকি দোকানগুলোতেও কোনো ক্রেতা নেই। অলস সময় কাটছে বিক্রয়কর্মীদের। এসব দোকানে সাজানো রয়েছে শামুক-ঝিনুক ও মুক্তা দিয়ে তৈরি রকমারি গলার মালা, হাতের চুড়ি, কানের দুল, চাবির রিংসহ ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির শামুক। এ ছাড়া সৈকতের বালুচর ও হলিডে মোড়ের জেলে পার্ক এলাকায় স্থাপিত আরও ৮০টি দোকানও ক্রেতাশূন্য।
লাবণী পয়েন্টের ঝিনুক মার্কেটের একটি দোকানের স্বত্বাধিকারী জাহাঙ্গীর আলম জানান, সৈকতভ্রমণে আসা পর্যটকেরাই মূলত শামুক-ঝিনুক দিয়ে তৈরি পণ্যের মূল ক্রেতা। টানা ৩৮ দিনের অবরোধ-হরতালে সৈকত পর্যটকশূন্য হয়ে পড়ায় বিক্রিও নেই। আগে প্রতিটি দোকানে দৈনিক ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি হলেও এখন ৫০ টাকাও হচ্ছে না। সৈকত ঝিনুক মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কাশেম আলী বলেন, ‘টানা অবরোধ-হরতালে বিক্রি না থাকায় সমিতিভুক্ত ১৬৫টি দোকানের মধ্যে ইতিমধ্যে ১৩০টি বন্ধ হয়ে গেছে। সমিতির বাইরে বালুচরে স্থাপিত আরও ২২টি দোকানও বন্ধ। এভাবে চলতে থাকলে এক হাজারের বেশি কর্মচারীর জীবন–জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে।’
সমিতির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হরতাল-অবরোধে মার্কেটের দৈনিক ক্ষতি প্রায় ১৬ লাখ টাকা। এ হিসাবে ক্ষতি এখন ছয় কোটি টাকার বেশি।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন