default-image

কারওয়ান বাজারে অবস্থিত সৌদি এয়ারলাইনসের কাউন্টারে আজ শনিবারও টিকিটপ্রত্যাশী সৌদিপ্রবাসীদের প্রচণ্ড ভিড় ছিল। এই কাউন্টার থেকে ৮৫১ থেকে ১২০০ নম্বর টোকেনধারী ব্যক্তিদের ফেরার টিকিট দেওয়া হয়। কিন্তু টোকেনের দাবিতে বেলা ১১টার দিকে সৌদিপ্রবাসীরা বিক্ষোভ করেন। যাঁরা টোকেন পাননি, তাঁদের ২৯ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে আগামী ৪ অক্টোবর টোকেন নিতে আসতে বলা হয়েছে। এই সময় পর্যন্ত সৌদি আরব যাওয়ার কোনো টিকিট বিক্রি করা হবে না।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) রুবায়েত জামান এ কথা জানান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, রোববার পর্যন্ত ১৫০০ নম্বরধারীকে টিকিট দেওয়া হবে। এ ছাড়া ২৪০০ নম্বর পর্যন্ত টোকেন দেওয়া হয়েছে। এর পরের নম্বর থেকে টোকেন ৪ অক্টোবর থেকে দেওয়া হবে।  

বিজ্ঞাপন

সৌদি এয়ারলাইনস ছাড়াও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মতিঝিল কার্যালয় থেকে সৌদি আরবের টিকিট ইস্যু করা হয়। দেশে আসা প্রবাসী যাঁদের ১৮ ও ২০ মার্চ জেদ্দা এবং ১৮ ও ১৯ মার্চ রিয়াদে ফেরার জন্য রিটার্ন টিকিট করা ছিল, তাঁদের টিকিট ইস্যু করা হয়েছে। একই তারিখের রিটার্ন টিকিটধারীদের কাছে গতকাল শুক্রবারও টিকিট ইস্যু করেছিল বিমান। ২৯ সেপ্টেম্বর জেদ্দা ও ৩০ সেপ্টেম্বর রিয়াদে বিশেষ ফ্লাইটের জন্য বিমান এসব টিকিট ইস্যু করেছে।

এদিকে শুক্রবার পর্যন্ত সৌদি আরবগামী কোনো যাত্রীর শরীরে করোনা সংক্রমণ পাওয়া যায়নি। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহারিয়ার সাজ্জাদ প্রথম আলোকে শনিবার বলেন, ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৌদি এয়ারলাইনসের চারটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে গেছে। সর্বশেষ শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার ফ্লাইটে ২৯৭ জন যাত্রী ছিলেন। এখন পর্যন্ত করোনা পজিটিভ কোনো যাত্রী শনাক্ত হয়নি। তা ছাড়া সবাই করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে সরাসরি আমাদের কাছে চলে আসছেন। তাই রিপোর্ট না পাওয়ার কারণে কোনো যাত্রীকে বিমানবন্দর থেকে ফেরত যেতে হয়নি।

মন্তব্য পড়ুন 0