বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ মূলত আমাদের পূর্ববঙ্গের। কারণ, পূর্ববঙ্গ বা বাংলাদেশে অবস্থান তাঁকে পরিপূর্ণ রবীন্দ্রনাথ করেছে। মাটি ও মানুষের সঙ্গে নিবিড় আত্মীয়তার বন্ধনে বেঁধেছে। এ দেশের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে কবির স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন স্থাপনা। জমিদারি পরিচালনা করতে এসে এসব জায়গায় থেকেছেন কবি, রচনা করেছেন মহামূল্যবান সাহিত্যকর্ম।’

জন্মবার্ষিকীতে রবীন্দ্রনাথের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এসইউবির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রেসিডেন্ট এ এম শামীম বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। সাহিত্য, সংগীত ও শিল্পের প্রতিটি শাখায় তাঁর অনায়াস বিচরণ সত্যিই বিস্ময়কর। কবির সব সৃষ্টির মূলে নিহিত মানবতাবাদ তাঁকে বিশিষ্টতা দান করেছে। শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ ছিলেন প্রকৃতির চিরন্তন সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্যের সাধক। রবীন্দ্রনাথের জাতীয়তাবোধ বাঙালির অনন্ত প্রেরণার উৎস।’

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে এসইউবির উপাচার্য মো. আনোয়ারুল কবীর বলেন, ‘প্রতিবছর রবীন্দ্রজন্মবার্ষিকী নতুনের বার্তা নিয়ে আসে, যা কালের আবর্তে কখনো মলিন হয় না। প্রাণে নিয়ে আসে উচ্ছ্বাস, উদ্দীপনা ও উচ্ছলতা। বাঙালির আবেগ-অনুভূতি, সুখ-দুঃখ, প্রেম-বিরহ, আনন্দ-বেদনা প্রভৃতি খুঁজে পাওয়া যায় রবীন্দ্রলেখনীতে। বিশ্বায়নের এই যুগে সংকট, অশান্তি, যুদ্ধাবস্থা, সমাজের সব অনাচার-অবিচার দূরীকরণ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে কবির কাছ থেকে আমাদের অনেক কিছু জানার ও শেখার রয়েছে।’

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মঞ্জুরুল ইসলাম, সাবেক সচিব ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নুর মোহাম্মদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী শামা রহমান, অণিমা রায় প্রমুখ। আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফা। এ ছাড়া স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কবিতা, গান ও নৃত্য পরিবেশিত হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন