বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বার্তায় বলা হয়, মিয়ানমারের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশটির জনগণকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায় বাংলাদেশের জনগণ। মিয়ানমারের জনগণের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছে বাংলাদেশ।

বার্তায় বলা হয়, ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশের জনগণ মিয়ানমারের জনগণের সঙ্গে পারস্পরিক কল্যাণকর সম্পর্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে অটল রয়েছে। এ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ।

বার্তায় বাংলাদেশে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গাদের তাঁদের জন্মস্থান রাখাইনে দ্রুত, স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মিয়ানমারে ২০১৭ সালের আগস্টে নৃশংস সেনা অভিযানের মুখে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। আর আগে থেকেই বাংলাদেশে অবস্থান করছিল প্রায় ৪ লাখ রোহিঙ্গা। এখন পুরোনো ও নতুন মিলিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ১১ লাখ।

শুরু থেকেই বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা। এ লক্ষ্যে ২০১৭ সালের নভেম্বরে মিয়ানমারের সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চুক্তি সই করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু পরের বাস্তবতা হলো, একজন রোহিঙ্গাকেও ফেরত পাঠানো যায়নি। শিগগিরই প্রত্যাবাসন শুরু হবে, এমন কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন