default-image

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টেকনিশিয়ান পদে ১ হাজার ৮০০ জনকে নিয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়মের তদন্তে গঠিত কমিটি বুধবার থেকে কাজ শুরু করার কথা রয়েছে। ১৩ এপ্রিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই কমিটি গঠন করে।

কমিটির পক্ষ থেকে বুধবার সংশ্লিষ্ট আটজনের বক্তব্য শোনার কথা। এই তালিকায় নিয়োগ কমিটির সদস্য, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও অভিযুক্তরা রয়েছেন। তবে তালিকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (পরিকল্পনা অধিশাখা) শ্রীনিবাস দেবনাথের নাম নেই, যাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ সাধার অভিযোগ তুলেছিলেন নিয়োগ কমিটির এক সদস্য।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এই নিয়োগে অনিয়ম নিয়ে ১২ এপ্রিল প্রথম আলোতে ‘এখন এক কোটি দেব, পরে আরও পাবেন’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরদিন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল হক খানকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

কমিটি সূত্রে জানা গেছে, গঠনের পাঁচ দিনের মধ্যে কমিটির প্রতিবেদন দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে তারা এত দিন কাজ শুরু করতে পারেনি। কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, এই কমিটি নিয়োগ প্রক্রিয়া সঠিক ছিল কি না, তা যাচাই করবে। পাশাপাশি পরীক্ষা যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না, লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র নিরীক্ষণে অসংগতি হয়েছে কি না এবং হয়ে থাকলে সে ক্ষেত্রে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দায়দায়িত্ব নিরূপণ করবে।

প্রসঙ্গত, এই নিয়োগে নিয়োগ কমিটির দুজন সদস্য লিখিতভাবে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিলেন। তাঁদের দাবি, লিখিত পরীক্ষায় অস্বাভাবিক নম্বর পাওয়া বেশির ভাগ প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় মোটেও ভালো করতে পারেননি। তাঁদের সন্দেহ, লিখিত পরীক্ষায় বড় অনিয়ম হয়। একজন সদস্য দাবি করেন, তালিকা ধরে প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় পাস করিয়ে দিলে তাঁকে এক কোটি টাকা ঘুষ ও পদোন্নতির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন