বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিস্টেমটি ফসল ও মাটির ধরনের ওপর নির্ভর করে পানির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে। এটি পানির অতিরিক্ত ব্যবহার কমায়, ডিজেল কিংবা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে, এটি সেচের জন্য মোট কার্বন নিঃসরণ কমায়।

পুরস্কার নির্বাচনের বিচারকেরা বলেছেন, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস ও মানবসম্পদ সংরক্ষণের জন্য উদ্ভাবিত প্রকল্পটির বিশাল পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব রয়েছে। সিস্টেমটি ব্যবহার করে মানুষের সেচখরচও হ্রাস পাবে।

শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী অতীতে তাঁর গবেষণাকাজ এবং উদ্ভাবনের জন্য বেশ কয়েকটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন। ২০১৬ সালে জাতিসংঘের মোমেন্টাম ফর চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড (জাতিসংঘের ২২ তম জলবায়ু সম্মেলন ২০১৬ মারাক্কেশ, মরক্কো), ইন্টারসোলার অ্যাওয়ার্ড ২০১৬ (মিউনিখ, জার্মানি), এডুকেশন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০১৮ (মুম্বাই, ভারত), এশিয়ান ফটোভোলটাইক ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ (সাংহাই, চায়না)।

এ ছাড়া উদ্ভাবন ও গবেষণাকাজের জন্য শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী ২০১৬ ও ২০১৮ সালে জাতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহের ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড পান। ২০২০ সালে বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি অ্যাওয়ার্ড পান তিনি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন