বিএসএমএমইউর সহ–উপাচার্য (একাডেমিক) এ কে এম মোশাররফ হোসেন ২০১৫ সালে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার আড়াই হাজার প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর একটি জরিপ করেছিলেন। এসব মানুষের প্রাথমিক সাক্ষাৎকার নেওয়ার পর তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। ওই জরিপে দেখা যায়, ৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ পুরুষ এবং ২ দশমিক ১৪ শতাংশ নারী স্লিপ এপনিয়ায় ভুগছেন।

সেমিনারে এ কে এম মোশাররফ হোসেন বলেন, যাঁরা স্থূলকায়, যাঁরা ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন, তাঁদের স্লিপ এপনিয়ার ঝুঁকি বেশি। এসব রোগীর গভীর ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুম হয় না। ঘুম না হওয়ার কারণে তাঁদের মেজাজ খিটখিটে হয়, কাজে মনোযোগ দিতে পারেন না। এই রোগের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে হৃদ্‌রোগ বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মৃত্যু হতে পারে।

সেমিনারে বলা হয়, ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগীর স্লিপ এপনিয়া দেখা দিলে জটিলতা বাড়ে। অনেকে রোগটি সম্পর্কে জানেন না। দেশে কত মানুষ এই সমস্যায় ভুগছেন, তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই। তবে ধারণা করা হয়, আক্রান্তদের ৯০ শতাংশ চিকিৎসার বাইরে আছেন। তবে এই রোগের চিকিৎসা আছে। কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। বিএসএমএমইউতে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার আধুনিক ব্যবস্থা আছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিএসএমএমইউর উপাচার্য শারফুদ্দিন আহমেদ, নাক কান গলা বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান তরফদার বক্তব্য দেন।