default-image

শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া (ভার্চ্যুয়াল) ও শারীরিক উপস্থিতি—এই দুই পদ্ধতিতে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিচারকাজ চলবে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ফুল কোর্ট সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। সভা–সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। সূত্রমতে, আগামী সপ্তাহ থেকে দুই পদ্ধতিতে কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

সুপ্রিম কোর্টে শারীরিক উপস্থিতি বিচারকাজ পরিচালনা ও কোর্টের বার্ষিক অবকাশকালীন ছুটি কমানো বা বাতিলের প্রসঙ্গসহ কয়েকটি আলোচ্যসূচি সামনে নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণে ওই ফুল কোর্ট সভা হয়।

সভা–সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের তথ্যমতে, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসনের সভাপতিত্বে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত ফুল কোর্ট সভায় ৯৪ জনের বেশি বিচারপতি অংশ নেন। বেলা তিনটা থেকে সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত সভা চলে। সভায় সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত ছুটি আংশিক বহাল রাখা ও ছুটি বাতিলের পক্ষে মত আসে। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকার–ঘোষিত সাধারণ ছুটির সঙ্গে মিল রেখে গত ২৬ মার্চ থেকে আদালতেও ছুটি শুরু হয়। সাধারণ ছুটির মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়। বাড়ে আদালতের ছুটিও।

সাধারণ ছুটি চলাকালে ৯ মে ‘আদালত কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার’ অধ্যাদেশ জারি করে সরকার। ফলে অডিও-ভিডিও বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে বিচারকাজ পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়। এরপর ১১ মে থেকে ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। ৯ জুলাই অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত হয়। অধস্তন সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালগুলোয় ৫ আগস্ট থেকে শারীরিক উপস্থিতিতে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে জানিয়ে ৩০ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। অধস্তন আদালতে এখন আগের নিয়মে বিচারকাজ চলছে। ৩ আগস্ট অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানায়, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৬ আগস্ট ফুল কোর্ট সভা হবে। সে অনুসারে আজ ফুল কোর্ট সভা হয়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0