বিজ্ঞাপন

হাছান মাহমুদ বলেন, মধ্যযুগে বাংলাদেশ ধনী দেশ ছিল। যে কারণে এখানে বর্গিরা এসেছিল। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তাঁরা দেশের দৃশ্যপট আবার পাল্টে দিতে চান। ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশ আবার উন্নত ও ধনী দেশে রূপান্তরিত হবে।

সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ লুৎফুন্নেসা খান বলেন, করোনায় উন্নত দেশগুলোও যেখানে বিপর্যস্ত, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ শুধু করোনা মোকাবিলা নয়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও ধরে রেখেছে। করোনার শুরুতে বিভিন্ন খাতে প্রণোদনা দেওয়ায় অর্থনীতির চাকা সচল রাখা গেছে।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, তিনি করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এটি সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত।

জাতীয় পার্টির সাংসদ মাসুদ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, পিপলস লিজিংয়ে টাকা রেখে মানুষ টাকা ফেরত পাচ্ছে না। তারা আন্দোলনে নেমেছে। এই টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

অন্যদের মধ্যে সরকারি দলের সাংসদ শেখ ফজলুল করিম সেলিম, প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ, সাংসদ মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, নারী আসনের সাংসদ উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন