এর আগে হাজি সেলিম ও তাঁর স্ত্রী গুলশান আরার বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর মামলাটি করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিচারিক আদালত ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল রায় দেন। রায়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সম্পদের তথ্য গোপনের দায়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। উভয় দণ্ড একসঙ্গে চলবে বলা হয়। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালে হাজি সেলিম আপিল করেন। আপিলের ওপর শুনানি শেষে ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাইকোর্ট সাজা বাতিল করে রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে দুদক আপিল বিভাগে আবেদন করে।

দুদকের আপিলের শুনানি নিয়ে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করেন। সেই সঙ্গে হাইকোর্টে হাজি সেলিমের আপিলের ওপর আবার শুনানি করতে বলা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আপিলের ওপর শুনানি শেষে গত বছরের ৯ মার্চ হাইকোর্ট রায় দেন। হাইকোর্টের রায়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে তাঁকে ১০ বছরের সাজা বহাল এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে ৩ বছরের সাজা থেকে খালাস দেওয়া হয়। এই খালাসের বিরুদ্ধে দুদক আজ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় লিভ টু আপিল করে।

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এই রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে হাজি সেলিমকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭–এ আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পূর্ণাঙ্গ রায়সহ নথিপত্র গত ২৫ এপ্রিল বিচারিক আদালতে পাঠানো হয়। এ হিসেবে হাজি সেলিমের বিচারিক আদালতের আত্মসমর্পণের সময়সীমা ২৫ মে পর্যন্ত।

হাজি সেলিমের আইনজীবী সাঈদ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ২৫ মের মধ্যে হাজি সেলিম বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। এরপর ১০ বছর সাজা বহালের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করবেন হাজি সেলিম।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন