লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের পূর্ব ও মধ্য কাদমা গ্রামে বাদলা রোগে সাত কৃষকের আটটি গরু মারা গেছে। গরু মারা যাওয়ায় তাঁদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
তবে গরু মারা যাওয়ায় আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মকবুল হোসেন। তিনি বলেন, গরুগুলো বাদলা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত গরুর মালিকেরা জানান, উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের মধ্য কাদমা গ্রামে গত বুধবার বিকেলে জগবন্ধু নামের এক কৃষকের দুটি গরু মারা যায়। গত বৃহস্পতিবার পূর্ব কাদমা গ্রামের খোকারাম বর্মণ, দেলজাহান বেওয়া, আরজু বেগম, অজিত কুমার ও হরেকৃষ্ণ বর্মণের একটি করে গরু মারা গেছে। গতকাল শুক্রবার একই গ্রামের মজিবর রহমানের একটি গরু মারা যায়।
পূর্ব কাদমা গ্রামের কৃষক হরেকৃষ্ণ বর্মণ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ করে তাঁর গরুর মুখে লালা আসে। কিছুক্ষণের মধ্যে পেট ফুলে ওঠে। এ সময় স্থানীয় পশু চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খাওয়ানো হয়। কিন্তু বিকেল হওয়ার আগেই গরুটি মারা যায়।
ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুস সাত্তার বলেন, গরুর মুখ দিয়ে প্রথমে লালা আসে। পরে পেট ফুলে গিয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গরুগুলোর মৃত্যু হয়।
হাতীবান্ধা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মকবুল হোসেন চারটি গরু মারা যাওয়ার বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, ‘কৃষকেরা আমাদের না জানিয়ে গ্রাম্য পশু চিকিৎসকদের দিয়ে চিকিৎসা করিয়েছেন।’ বৃহস্পতিবার রাতে ইউপি চেয়ারম্যান তাঁকে বিষয়টি জানান। গতকাল সকালে তাঁদের দুজন প্রতিনিধি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ওই ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকায় বাদলা রোগের প্রতিষেধক দেওয়ার কাজ গতকাল শুরু করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন