বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আয়রনম্যান ৭০.৩ প্রতিযোগিতায় ৮ ঘণ্টা ৩০ মিনিটে বিরতিহীনভাবে ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার সাঁতার, ৯০ কিলোমিটার সাইক্লিং এবং ২১ দশমিক ১ কিলোমিটার দৌড় শেষ করতে হয়। মিশু বিশ্বাস ৬ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটে সবগুলো শেষ করেন।
আয়রনম্যান প্রতিযোগিতায় সাঁতার, সাইক্লিং ও দৌড় তিনটি ইভেন্টে একই সঙ্গে অংশ নিতে হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তিনটি ইভেন্ট শেষ করতে পারলেই পাওয়া যায় স্বীকৃতি। এর মধ্য দিয়ে নিজের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতার পরীক্ষা দিতে হয়। ১৯৭৭ সাল থেকে এ প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হচ্ছে। আয়রনম্যান ফেডারেশন বিভিন্ন দেশে আয়রনম্যান ৭০.৩ প্রতিযোগিতা আয়োজন করে থাকে।

এবারের প্রতিযোগিতায় ৮৩টি দেশ থেকে ৩ হাজার ৩০০ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। বাংলাদেশ থেকে একমাত্র প্রতিযোগী ছিলেন মিশু বিশ্বাস। এর আগে তিনি বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেন। এ ছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধু ম্যারাথন, মেরিন ড্রাইভ ৫০ কিলোমিটার আলট্রা ম্যারাথন, সিঙ্গাপুর হাফ ম্যারাথন, থাইল্যান্ড ম্যারাথনসহ ২০টি হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সফলভাবে শেষ করেন।

default-image

মিশু বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, আয়রনম্যান প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য হলো নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়া। নিজের সীমাবদ্ধতাগুলোকে চ্যালেঞ্জ জানানো। তিনি বলেন, অসম্ভব বলে কিছু নেই। পরিশ্রমের পাশাপাশি চেষ্টা ও একাগ্রতা থাকলে লক্ষ্য যতই কঠিন হোক, সেখানে পৌঁছানো সম্ভব। ২০ বছরের যুবক থেকে শুরু করে ৮০ বছরের বৃদ্ধও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। এমনকি দুই পা ও এক হাত নেই এমন প্রতিযোগীও আছেন।

default-image

পুলিশ কর্মকর্তা মিশু বিশ্বাস জানান, দুই বছর আগে তিনি নিয়মিত দৌড় শুরু করেন। চাকরি ও দৈনন্দিন নানা চাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে দৌড়ের পাশাপাশি সাঁতার শুরু করেন। আয়রনম্যান সম্পর্কে জানার পর তিনি নিয়মিত সাইক্লিং শুরু করেন।
মিশু বিশ্বাস ৩৩তম বিসিএসের কর্মকর্তা। তিনি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। বর্তমানে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের রমনা জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার হিসেবে কর্মরত আছেন। যাঁরা এ ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে চান, তাঁদের উদ্দেশ্যে মিশু বিশ্বাস বলেন, নিয়মিত প্রশিক্ষণ, লক্ষ্যে পৌঁছানো পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া এবং উপযুক্ত ডায়েট ধরে রাখলে সফল হওয়া সম্ভব।

default-image
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন