বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজকের সভায় জানানো হয়, দেশের রুইজাতীয় মাছের পোনা সংগ্রহের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক উৎস হালদা। কিন্তু দখল ও দূষণের কারণে এ নদীর মাছের পোনা কমে আসছে। মানবসৃষ্ট এসব কারণ চিহ্নিত করে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। কিন্তু এতদিন গবেষণার অভাবে এখানকার মাছের নতুন প্রজাতি উদ্ভাবন এবং অন্য জাতের সঙ্গে পার্থক্য করা যাচ্ছিল না।

default-image

সভার শুরুতে পিকেএসএফের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল কাদের হালদার রুইয়ের অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, হালদা পৃথিবীর একমাত্র জোয়ার–ভাটার নদী, যেখান থেকে রুই মাছের ডিম সংগ্রহ করা হয়। জীবনরহস্য উন্মোচন হওয়ায় এখানকার মাছের পোনা দেশের অন্য নদী ও জলাশয়ে জন্মানোর ব্যবস্থা করা সম্ভব। আর এই মাছের পোনা যাতে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা যায়, সে ব্যবস্থা করাও সম্ভব। তা করা হলে এ নদী থেকে বছরে আট হাজার কোটি টাকার মৎস্যসম্পদ আহরণ করা যাবে।

অধ্যাপক মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে অনন্য হালদার দূষণ কমাতে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও একটি পেপার মিল বন্ধ করা হয়েছে। হালদার উজানে প্রচুর তামাকের চাষ হতো। যেখান থেকে তামাকের কীটনাশকযুক্ত দূষিত পানি হালদায় পড়ত। পিকেএসএফের উদ্যোগে সেগুলো বন্ধ হয়েছে। কিন্তু হালদার মাছের জিনগত বৈশিষ্ট্য না জানার কারণে তা দেশের অন্যত্র কীভাবে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব তা বোঝা যাচ্ছিল না। এই গবেষণার মাধ্যমে তা সম্ভব হবে।

জীবনরহস্য উন্মোচন হওয়ায় এখানকার মাছের পোনা দেশের অন্য নদী ও জলাশয়ে জন্মানোর ব্যবস্থা করা সম্ভব।

হালদা নদীর মাছের প্রজননস্থল রক্ষায় সরকার আরও উদ্যোগ নেবে বলে জানান পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নমিতা হালদার।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন