বিজ্ঞাপন

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আবুল বাসার প্রথম আলোকে জানান, ঈদের দিনে তাঁদের হাসপাতালে ২২ জন করোনা রোগী সাধারণ ওয়ার্ডে ও ৩ জন করোনা রোগী নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। কাউন্সিলর খোরশেদের নেতৃত্বে টিম খোরশেদের সদস্যরা হাসপাতালের রোগী-চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

default-image

আবুল বাসার আরও বলেন, টিম খোরশেদ হাসপাতালে রোগীদের নিয়ে আসেন। আবার কেউ মারা গেলে তাঁর লাশ নিয়ে দাফন করেন। তাঁরা করোনার সংকটকালীন যথেষ্ট মানবিক কাজ করছেন।

গত বছরের ৯ মার্চ থেকে টিম খোরশেদ ও টাইম টু গিভ করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি, স্যানিটাইজার তৈরি ও বিতরণ, দাফন, সৎকার, টেলিমেডিসিন, অক্সিজেন, অ্যাম্বুলেন্স, প্লাজমা ডোনেশন ও খাদ্যসহায়তার কাজ করছে।

করোনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত টিম খোরশেদ ২০২ জন করোনা রোগীর মৃতদেহ দাফন ও সৎকার, বিনা মূল্যে ৩৭৮ জন সংক্রমিতকে অক্সিজেন সেবা, ১১১ জনকে প্লাজমা ডোনেশন, ১৫ হাজার মানুষকে টেলিমেডিসিন সেবা, বিনা মূল্যে ওয়ার্ডবাসীকে সবজি বিতরণ, ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সাপোর্ট সেবা দিয়ে আলোচনায় আসে। টিম খোরশেদের সব সেবা বিনা মূল্যে দেওয়া হয়।

জেলা সিভিল সার্জন ও জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্যসচিব মোহাম্মদ ইমতিয়াজ বলেন, সংক্রমণের শুরুতে যখন অনেকেই মারা যাচ্ছিলেন তখন অনেকেই লাশ দাফনে এগিয়ে আসেননি। টিম খোরশেদ ওই সময় থেকে এখন পর্যন্ত করোনা রোগীদের লাশ দাফনসহ বিভিন্ন মানবিক কাজ করছে। প্রত্যেক জেলায় এ রকম থাকলে দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

হাসপাতালে রোগীদের উপহার দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন টিম খোরশেদ ও টাইম টু গিভ সদস্য রানা মুজিব, নাজমুল কবীর নাহিদ, এস এম কামরুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন, শওকত খন্দকার, সুমন দেওয়ান ও টিপু সুলতান।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন