দাখিল করা রিটে আবেদনকারী হিসেবে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) ও সেফটি অ্যান্ড রাইটস সোসাইটি রয়েছে।

ব্লাস্টের অবৈতনিক নির্বাহী পরিচালক সারা হোসেন বলেন, নিহত শ্রমিকদের প্রত্যেকের পরিবারকে ৫ কোটি এবং আহতদের ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছে। নিহত শ্রমিকদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২০ লাখ এবং আহতদের ১০ লাখ টাকা করে আপাতত দিতে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আসকের আইনজীবী মো. শাহীনুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘করোনার চলমান পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুসারে জরুরি কোনো আবেদন থাকলে তা শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবরে পাঠাতে হয়। জরুরি বিবেচনায় হাইকোর্টে শুনানির জন্য রাতে রিটটি ই–মেইলে রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবরে পাঠানো হয়েছে। রোববার রিটের ওপর শুনানি হতে পারে।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, ওই ঘটনায় ৫২ জন মারা গেছেন ও ২৫ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ছয়তলা ওই কারখানা ভবনে আগুন লাগে। সেদিনই ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে তিনজন মারা যান। পরদিন শুক্রবার আগুন নিভলে কারখানা ভবনের চতুর্থ তলা থেকে ৪৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক নাজিম উদ্দিন মজুমদার বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। আসামিরা হলেন সজীব গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হাসেম, তাঁর ছেলে হাসীব বিন হাসেম, তারেক ইব্রাহীম, তাওসীব ইব্রাহীম, তানজীম ইব্রাহীম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শাহান শাহ আজাদ, উপমহাব্যবস্থাপক মামুনুর রশিদ ও প্রকৌশলী মো. আলাউদ্দিন।

পরে গ্রুপের চেয়ারম্যান হাসেমসহ আট আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের সবাইকে চার দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত।