বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কক্সবাজারের ঝিলংজায় হিমছড়ি জাতীয় উদ্যানের অন্তর্ভুক্ত ৭০০ একর গেজেটভুক্ত সংরক্ষিত বনভূমি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ একাডেমির ভবন নির্মাণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরাবর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বন অধিদপ্তর, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির মতামত উপেক্ষা করে প্রশিক্ষণ একাডেমির জন্য অকৃষি ও খাসজমি দেখিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় এই বনভূমি বরাদ্দ দেওয়া ও নেওয়া উভয় কর্মকাণ্ডই দেশের বিদ্যমান জাতীয় বননীতি–১৯৯৪; বন আইন, ১৯২৭; বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২; পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০১৬–সহ পরিবেশগত বিভিন্ন বিধিমালার পরিপন্থী। এ ধরনের কাজে বনভূমি ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। তাই এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সরে আসবে বলে আশা করেন অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কক্সবাজার জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা একসময় বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ ও বন্য প্রাণী, বিশেষ করে হাতির আবাসস্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এ ছাড়া এ বনভূমি সাইক্লোনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে উপকূলীয় অঞ্চলের জনগণের জানমাল রক্ষায় অশেষ অবদান রাখে। কিন্তু রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মানবিক ও কৌশলগত কারণে সরকারকে জেলার ছয় হাজার একরেরও বেশি বনভূমি বনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের অনুমতি দিতে হয়েছে।

এখন প্রশিক্ষণ একাডেমির ভবন নির্মাণের নামে ৭০০ একর বনভূমি বরাদ্দ দেওয়া হলে তা নিশ্চিতভাবে পরিবেশগত মহাবিপর্যয় ডেকে আনবে। একইভাবে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের নামে আরও বনভূমি ধ্বংসে উদ্বুদ্ধ হবে। এতে বনভূমি ও পরিবেশ রক্ষা করা আরও দুরূহ হয়ে পড়বে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন