বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম জেলা কোট পরিদর্শক হুমায়ুন কবির প্রথম আলোকে বলেন, হাটহাজারী থানার পুলিশ পাঁচটি মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে হেফাজতের কেন্দ্রীয় তিন নেতার জড়িত থাকার তথ্য পায়। গ্রেপ্তার কয়েকজন আসামির জবানবন্দিতে তাঁদের জড়িত থাকার তথ্য উঠে আসে। এ জন্য পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে আদালতে। শুনানি শেষে আদালত তাঁদের গ্রেপ্তার দেখান।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা মামুনুল হক ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ও সহিংসতার পর বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় ছিলেন। এর মধ্যে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আসেন তিনি। কয়েক মাস আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা করেন। এরপর গত মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরেরও বিরোধিতা করেছিলেন তিনি। এ নিয়ে গত ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররমে সংঘর্ষের জের ধরে চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সহিংসতায় অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনার রেশ যেতে না যেতেই ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার একটি রিসোর্টে এক নারীসহ ঘেরাও হন মামুনুল হক। একপর্যায়ে রিসোর্টে হামলা চালিয়ে তাঁকে ছাড়িয়ে নেন হেফাজতের কর্মীরা। এরপর ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের একটি মাদ্রাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে ১১ এপ্রিল আজিজুল হক ইসলামাবাদীকে এবং ১২ এপ্রিল জুনায়েদ আল হাবিবকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন