সরকার ও বিভিন্ন মহল থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে ‘শীতল যুদ্ধ’ চলছে। এ নিয়ে শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে পরস্পর আস্থা-বিশ্বাসেও চিড় ধরেছে। ফলে সংগঠনের মাঠপর্যায়ের নেতাদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি এ প্রতিবেদক হেফাজতের প্রধান কেন্দ্র দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসাসহ ঢাকা ও চট্টগ্রামে অবস্থানকারী সংগঠনের বেশ কয়েকজন দায়িত্বশীল নেতার সঙ্গে কথা বলে এ পরিস্থিতির কথা জানতে পারেন। তবে কোনো নেতাই এ নিয়ে স্বনামে বক্তব্য প্রকাশ করতে রাজি হননি।
এসব নেতা এও জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সংগঠনের আমির শাহ আহমদ শফীর সঙ্গে তাঁরা খোলামেলা আলোচনা করতে পারছেন না। কারণ, ৯০ বছর বয়স্ক আহমদ শফীকে দেশের কওমি মাদ্রাসার আলেমরা গুরুজন হিসেবে মান্য করেন। তাঁকে ঘিরেই হেফাজত সংগঠিত হয়। এখন তাঁরই ছোট ছেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহল থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর এ ছেলের প্রতি আহমদ শফীর রয়েছে অত্যধিক স্নেহ। তাই বিষয়টি নিয়ে হেফাজতের বেশির ভাগ নেতাই অস্বস্তির মধ্যে আছেন।
এ ছাড়া সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতাদের নামে এক দিকে মামলা, আরেক দিকে তাঁদের ওপর সরকারি একাধিক সংস্থার চাপ ও সার্বক্ষণিক নজরদারি আবার একাংশের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ—সব মিলিয়ে হেফাজতের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নাজুক হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় হেফাজতের পক্ষে আগের মতো বড় ধরনের কর্মসূচি পালন বা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির মতো পরিস্থিতি তৈরির সক্ষমতা নিয়ে সংগঠনের নেতারা নিজেরাই সন্দিহান। এখন ‘শানে রেসালত’ নামে যে কর্মসূচি দেওয়া হচ্ছে, তা কেবল সংগঠনের কর্মী-সমর্থক গোষ্ঠী এবং বিভিন্ন স্থান থেকে পাওয়া আর্থিক সহায়তার উৎসগুলো ধরে রাখার চেষ্টার অংশ বলে মনে করছেন হেফাজতের কোনো কোনো নেতা।
সার্বিক বিষয়ে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি হাটহাজারী মাদ্রাসায় কথা হয় হেফাজতের আমির শাহ আহমদ শফীর। তিনি বেশির ভাগ প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান। তিনি বর্তমান পরিস্থিতির জন্য গণমাধ্যমকে দোষারোপ করে বলেন, ‘দেশের পরিস্থিতির জন্য তো আপনারাই দায়ী। এখন হেফাজত একা কী করবে?’
আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ: গত ৫ জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচনের কয়েক দিন আগে হেফাজতের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন নেতা সরকার ও বিরোধী পক্ষ থেকে বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি ঢাকা ও চট্টগ্রামে হেফাজতের একাধিক দায়িত্বশীল নেতার সঙ্গে কথা বলে এ অভিযোগের কথা জানা গেছে। তাঁরা জানান, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে-পরে কয়েক মাসে কয়েক দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেও তা স্থগিত করায় এবং সংগঠনের আমিরের ছোট ছেলে আনাছ মাদানির সঙ্গে সরকারি বিভিন্ন মহলের নিয়মিত যোগাযোগ থাকার কথা জানাজানি হওয়ার পর আর্থিক সুবিধা গ্রহণ-সংক্রান্ত অভিযোগ বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন নেতারা।
গত ২৭ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিবের হাটহাজারী মাদ্রাসায় যাওয়া এবং আহমদ শফী ও তাঁর ছেলের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করার পর আনাছ মাদানির বিষয়ে সন্দেহের ডালপালা মেলতে থাকে। এর পর থেকে নেতাদের মধ্যে মানসিক দূরত্ব ও ঠান্ডা লড়াইয়ের শুরু হয়। চট্টগ্রামের এই বিরোধের ধাক্কা ইতিমধ্যে ঢাকার নেতাদের মধ্যেও এসে পড়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হেফাজতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী দাবি করেন, ‘হুজুর (আহমদ শফী) কারও কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন বলে যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং আলেমদের হেয় করার একটি ষড়যন্ত্র।’
অবশ্য হেফাজতে ইসলামের ঢাকা ও চট্টগ্রামকেন্দ্রিক অন্তত ছয়জন গুরুত্বপূর্ণ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ২৯ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ঘোষিত ‘গণতন্ত্রের অভিযাত্রা’ কর্মসূচির আগে হেফাজতের শীর্ষ পর্যায়ে সরকার ও বিরোধী দলের পক্ষ থেকে পৃথকভাবে আর্থিক লেনদেনের ঘটনা ঘটে।
এ ধরনের অভিযোগ সম্পর্কে কতটা জানেন—এমন প্রশ্নের জবাবে হেফাজতের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘এসব কথা আমি কানে নিই না। কারণ, এর কোনো প্রমাণ নেই। এটা সত্যও হতে পারে, মিথ্যাও হতে পারে।’
বিরোধী জোটের সূত্রগুলো জানায়, গণতন্ত্রের অভিযাত্রা কর্মসূচিতে হেফাজতের সমর্থন পেতে ২৬ ডিসেম্বর রাতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোটের হেফাজত-সংশ্লিষ্ট দুজন নেতাকে আহমদ শফীর কাছে পাঠানো হয়। তাঁরা সঙ্গে করে প্রায় অর্ধকোটি টাকা নিয়ে যান এবং তা হেফাজত আমিরের ছেলের হাতে দিয়ে ওই রাতেই ঢাকায় ফেরেন। কথা ছিল হেফাজত ২৯ ডিসেম্বরের কর্মসূচিতে সমর্থন দেবে। কিন্তু সরকারি সূত্রগুলো এ খবর পেয়ে গেলে সরকারের শীর্ষ মহল থেকেও দ্রুত পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এরপর হেফাজতের ভেতরেই প্রচার পায় যে সংগঠনটিকে বেশ কয়েক কোটি টাকার অনুদান দেওয়া হয়েছে।
অবশ্য হেফাজতের আমিরের ছেলে আনাছ মাদানি আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি গত বুধবার প্রথম আলোকে বলেন, এসব ভুয়া কথা। এর কোনো ভিত্তি নেই।
২৭ ডিসেম্বর সকালে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল জয়নাল আবেদীনসহ সরকারি একটি প্রতিনিধিদল হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের প্রথম পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব একা ও পরে অন্য প্রতিনিধিরা যোগ দেন।
এ বিষয়ে হেফাজতের মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিবকে আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনি কেন এসেছেন। তিনি বলেছেন হুজুরের দোয়া নিতে এসেছেন।’
তবে হেফাজতের চট্টগ্রামকেন্দ্রিক তিনজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা জানান, প্রধান দুই রাজনৈতিক পক্ষ থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করায় তখন সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। এ অবস্থায় বিরোধী দলের ২৯ ডিসেম্বরের কর্মসূচিতে সমর্থন না জানিয়ে ‘দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে’ যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা পালনের জন্য হেফাজতের আমির আহমদ শফী ২৮ ডিসেম্বর গণমাধ্যমে একটি খোলা চিঠি পাঠান। তবে তাতে ‘যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা’ কীভাবে পালন করা হবে, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
বিএনপির সঙ্গে দূরত্ব: ঢাকা ও চট্টগ্রামের হেফাজতের একাধিক নেতা জানান, হেফাজতের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সরকারের চেয়ে পিছিয়ে পড়েছে বিএনপিসহ ১৯-দলীয় জোট।
এ জোটের একাধিক সূত্র জানায়, তাদের কাছেও খবর আছে যে হেফাজতের শীর্ষস্থানীয় কারও কারও সঙ্গে সরকারের কোনো কোনো সংস্থার নিবিড় যোগাযোগ গড়ে উঠেছে। তাই ভবিষ্যতে হেফাজতকে আন্দোলনের মাঠে পাশে পাওয়ার আশাও অনেকটা উবে গেছে।
১৯-দলীয় জোটের শরিক ধর্মভিত্তিক তিনটি দল হেফাজতে ইসলামের সঙ্গেও সম্পৃক্ত। তার পরও ২৯ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ঘোষিত গণতন্ত্রের অভিযাত্রা কর্মসূচিতে হেফাজতের সমর্থন চেয়েও পায়নি বিরোধীদলীয় জোট।
গত বছর অনুষ্ঠিত রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হেফাজতের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিপক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন। ওই সব নির্বাচনের আগে আহমদ শফী সরকারের সমালোচনা করে একাধিক বিবৃতিও দেন। গাজীপুর সিটি নির্বাচনের আগে ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিনকে মুক্তি দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে গত বছর ১ জুলাই তিনি একটি বিবৃতি দেন। তাতে হেফাজতের আমির রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল নির্বাচনের ফলাফল থেকে সরকারকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও হেফাজতের ওই রকম ভূমিকা প্রত্যাশা করেছিল বিএনপি। কিন্তু এখন নিজেদের ‘অরাজনৈতিক সংগঠন’ দাবি করে উপজেলা নির্বাচনে কোনো পক্ষে না জড়ানোর অবস্থান নিয়েছে হেফাজত। এ বিষয়ে ২৮ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে আহমদ শফী বলেন, উপজেলা নির্বাচনে কেউ নিজেকে হেফাজতের প্রার্থী দাবি করলে তা হবে বিভ্রান্তিকর।
এ ছাড়া গত বছরের এপ্রিলে উত্থানের পর হেফাজতের প্রায় প্রতিটি বক্তৃতা-বিবৃতিতে সরকারের কঠোর সমালোচনা করা হতো। কিন্তু ২৭ ডিসেম্বরের পর থেকে সরকারের সমালোচনা থেকে সরে এসেছে সংগঠনটি। সর্বশেষ ১৪ ফেব্রুয়ারি হাটজাহাজারী মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক মাহফিলেও সরকার সম্পর্কে কোনো বক্তব্য দেননি শাহ আহমদ শফী।
অবশ্য হেফাজতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী দাবি করেন, বিএনপি-জামায়াত তাঁদের সঙ্গে কখনো যোগাযোগ করেনি। বরং সরকারই সব সময় যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময়ে হেফাজতের আমিরের সঙ্গে দেখা করেন, দোয়া নিতে আসেন। নির্বাচনের আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।
হেফাজতের উত্থান: ২০১০ সালে সরকার প্রণীত ‘নারী উন্নয়ন নীতিমালার’ কিছু ধারা বিলোপের প্রতিবাদ করতে গিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ হয়। এরপর ২০১৩ সালের ৯ মার্চ থেকে কথিক নাস্তিক ব্লগারদের শাস্তি ও ধর্ম অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন পাস করাসহ ১৩ দফা দাবিতে সক্রিয় হয় কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক এ সংগঠনটি। ওই বছরের ৬ এপ্রিল রাজধানীতে বিশাল সমাবেশ করে দেশ-বিদেশে আলোচনায় আসে হেফাজত। এরপর ৫ মে ঢাকা অবরোধ শেষে রাজধানীর শাপলা চত্বরে অবস্থান নেয়। কিন্তু মধ্যরাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের সরিয়ে দেয়।
শাপলা চত্বরে অবস্থান নেওয়াকে কেন্দ্র করে ৫ মে সকাল থেকেই রাজধানীর পুরানা পল্টন, বায়তুল মোকাররম, মতিঝিলসহ আশপাশের এলাকায় হেফাজতের কর্মীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটে পুরো এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
এরপর গত বছরের মাঝামাঝিতে হেফাজতের আমির শাহ আহমদ শফী নারীকে তেঁতুলের সঙ্গে তুলনা করে সমালোচিত হন। তখন দেশের নারীসমাজ, নাগরিক সমাজ, গার্মেন্টস শ্রমিকদের পাশাপাশি সরকারের মন্ত্রী-সাংসদ ও মহাজোটের নেতারা হেফাজত আমিরের কড়া সমালোচনা করেন। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু তাঁকে ‘তেঁতুল হুজুর’ বলেও আখ্যায়িত করেন। গণমাধ্যমে তা ‘তেঁতুল তত্ত্ব’ বলেও প্রচার পায়। একপর্যায়ে হেফাজতের পক্ষ থেকে এর ব্যাখ্যাও দিতে হয়। যদিও তা গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। অবশ্য ডিসেম্বরের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিবের সাক্ষাতের পর থেকে হেফাজতের আমিরের বিরুদ্ধে নেতিবাচক বক্তব্য বন্ধ আছে।
থিতিয়ে গেছে তৎপরতা: বস্তুত ৫ মের ঘটনার পর থেকে হেফাজত আর মাঠে নেই। গত কয়েক মাসে ঢাকা ও চট্টগ্রামে একাধিক কর্মসূচি দিয়েও শেষ পর্যন্ত স্থগিত করে। এ মুহূর্তে হেফাজত কার্যত থমকে গেছে বলেও সংগঠনের দায়িত্বশীল অনেক নেতা স্বীকার করেছেন।
জানতে চাইলে মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, ‘সরকার যাতে দাবি মানে, তার জন্য গণতান্ত্রিকভাবে আমরা অনেক কর্মসূচি পালন করেছি। এখন দাবি মানাতে অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় নামা তো আমাদের কাজ না। আল্লাহর কাছে বলা ছাড়া আর কী করার আছে।’
যদিও সংগঠনের মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীর চিন্তা একটু ভিন্ন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে সবকিছুই স্বাভাবিক হয়ে গেছে। সময়ই বলে দেবে হেফাজত কখন কী ধরনের কর্মসূচি নেবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন