বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ভবিষ্যতে খাদ্যনিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিভিন্ন ঘাতসহনশীল জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য গবেষক-বিজ্ঞানীদের আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। উদ্ভাবিত জাত ও উৎপাদন প্রযুক্তিকে দ্রুত কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, উদ্ভাবন করে বসে থাকলে হবে না। দ্রুত কৃষকের কাছে, মাঠে সম্প্রসারণ করতে হবে। কৃষকের হাতে উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি যেতে অনেক ক্ষেত্রে ৮-১০ বছর লেগে যাচ্ছে, এটা কোনোমতেই কাম্য নয়। উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণের এই সময়কাল কমাতে হবে।

এর আগে কৃষিমন্ত্রী নতুন স্থাপিত উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব ও মৃত্তিকাবিজ্ঞান দুটি আধুনিক ল্যাব ও প্রযুক্তি প্রদর্শনী স্টল পরিদর্শন করেন।

এ সময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের খাদ্যের ঘাটতি নেই। আলু, শাকসবজি, ফলমূলসহ বিভিন্ন ফসল ও খাদ্যে আমরা উদ্বৃত্ত। এই উদ্বৃত্ত ফসল সারা পৃথিবীতে আমরা রপ্তানি করতে চাই। সে লক্ষ্যে আমাদের প্রস্তুতি প্রায় সমাপ্ত। গত ১ বছরে কৃষিপণ্যের রপ্তানি অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া এই নতুন ল্যাবগুলো থেকে সার্টিফিকেট দিলে সারা বিশ্বেই তা গ্রহণযোগ্য হবে। ফলে সামনের দিনগুলোতে রপ্তানি আরও বৃদ্ধি পাবে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। বারির মহাপরিচালক মো. নাজিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মো. বখতিয়ার, বিএআরসির সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান জহুরুল করিম, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী বারির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক (অব.) কাজী এম বদরুদ্দোজা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন