ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন উপজেলা চত্বরে ১৫ বছর আগে শহীদ মিনার নির্মাণের কাজ শুরু হয়। অর্ধেক কাজ শেষ হওয়ার পর বাকিটা আর করা হয়নি। এতে নির্মাণাধীন মিনারের নিচের অংশ মাটির নিচে চাপা পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অবহেলার কারণে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। আর প্রশাসনের দাবি, অর্থের অভাবে কাজটি শেষ করা যাচ্ছে না।
উপজেলা পরিষদের পূর্বপাশে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ধারে ছিল দুটি বিশাল আকৃতির পুকুর। মাঝ দিয়ে ছিল উপজেলায় প্রবেশপথ। ২০০১ সালে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্যোগে ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় পুকুর দুটি ভরাট করা হয়। এই পুকুরের জায়গায় এক পাশে স্মৃতিসৌধ আর অন্য পাশে একটি শহীদ মিনার নির্মাণের কাজ শুরু হয়। আর এই দুটি স্থাপনাকে ঘিরে নির্মাণ করা হয় মিনি পার্ক। মিনি পার্ক আর স্মৃতিসৌধ নির্মাণ শেষ হলেও শহীদ মিনারের কাজটি শেষ হয়নি। সেই থেকে অর্ধেক কাজ শেষ হয়ে পড়ে আছে শহীদ মিনারটি। আজও এটির বাকিটুকু শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্থানীয় কলেজ ক্যাম্পাসের শহীদ মিনারটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, নির্মাণকাজ শুরুর সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছিলেন সুশেন চন্দ্র রায়। তাঁর উদ্যোগ ও এলাকার মানুষের সহযোগিতায় কাজটি শুরু হয়। কিন্তু পরে যাঁরা ওই দায়িত্বে এসেছেন, তাঁরা এই বিষয়টি গুরুত্ব দেননি।
বর্তমান ইউএনও মনোয়ার হোসেন মোল্লা জানান, তিনি ইতোমধ্যে স্থানীয় সাংসদ ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। টাকার অভাবে কাজটি করতে পারছেন না। তবে আশা করছেন দ্রুতই শহীদ মিনারটির নির্মাণকাজ শেষ করতে পারবেন।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন