default-image

পরোয়ানাভুক্ত ১৬টি মামলায় বিএনপির নেতা সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার চাঁদপুরের দুটি আদালতে তাঁকে হাজির করা হয়েছিল। দুই আদালতের বিচারক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি সাইয়েদুল ইসলাম জানান, চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সরোয়ার আলমের আদালতে কচুয়ার আওয়ামী লীগ কর্মী আব্দুল মান্নান হত্যা, চুরি, ছিনতাই, ভাঙচুর, মারামারিসহ ১৪টি মামলায় এহছানুল হক মিলনকে হাজির করা হয়। একই দিন আরও দুটি মামলায় চাঁদপুরের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কায়সার মো. মোশারফ ইউসুফের আদালতেও হাজির করা হয় মিলনকে। সব কটি মামলায় তাঁর জামিন নামঞ্জুর করা হয়।

গতকাল রোববারও মারামারির একটি মামলায় অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতে তাঁর জামিন নামঞ্জুর করা হয়।

মিলন উচ্চ আদালত থেকে জামিনে গিয়ে দীর্ঘ কয়েক বছর পলাতক ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটায় চট্টগ্রামের চট্টেশ্বরী এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

কচুয়ার আওয়ামী লীগের নেতা আইনজীবী হেলাল উদ্দিন বলেন, বিএনপি–জামায়াত জোট সরকারের সময় বিএনপির নেতা মিলনসহ তাঁর নেতা-কর্মীরা কচুয়ায় হত্যা, ধর্ষণ, চুরি, ছিনতাই, লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়। এসব কারণে তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও পুলিশ কচুয়া থানায় ও আদালতে তৎকালীন সময় বেশ কিছু মামলা দায়ের করে।

মিলনের আইনজীবী কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মিলনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আমরা আদালতের কাছে সব মামলায় জামিন চেয়েছি কিন্তু পাইনি। আমরা আবারও দু্-একদিনের মধ্যে সব কাগজপত্রসহ তাঁর জামিন আবেদন করব।’

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন