বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ডিজিটাল বা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে ভোক্তাদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা চেয়ে করা আলাদা রিটের শুনানির পর গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তিনটি বিষয়ে জানাতে নির্দেশ দেন। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা চলে যাওয়া ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ বিষয়ে বিএফআইইউ কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানতে চাওয়া হয়।

পাশাপাশি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আদৌ ভ্যাট-ট্যাক্স নেওয়া হয় কি না ও ভ্যাট-ট্যাক্স আদায়ের বিষয়ে কোনো নীতিমালা আছে কি না, তা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে জানাতে বলেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া ই-কমার্স খাতের স্বার্থে সমস্যা নিরসনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত কারিগরি কমিটির কার্যপরিধি সম্পর্কেও জানাতে বলা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় বিএফআইইউ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়। আদালতে রিটের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও মোহাম্মদ হুমায়ন কবির শুনানিতে ছিলেন। বিএফআইইউর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী শামীম খালেদ আহমেদ ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

পরে শিশির মনির প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের ৯ মে পর্যন্ত ১৭টি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলে প্রতিবেদনে এসেছে। প্রতিবেদনগুলো পর্যালোচনা করে শুনানি নিয়ে ২২ মে আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়, ই-কর্মাস খাতে ২০২১ সাল পর্যন্ত নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৯৬টি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ৩৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। আর ২০২১-২০২২ অর্থবছরে ১২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন