১৯৯৬ সালে চালু করা হয়েছে ৩১ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। কিন্তু চালু করার পর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে কখনোই একই সময়ে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও অবেদনবিদ ছিলেন না। ফলে এত বছরেও সেখানে একজন প্রসূতিরও অস্ত্রোপচার হয়নি।
এ চিত্র ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ চিকিৎসকের নয়টি পদ আছে। হাসপাতালে একজন জুনিয়র স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও একজন অবেদনবিদ থাকার কথা। কিন্তু ৩১ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি চালু হওয়ার পর একই সময়ে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও অবেদনবিদ ছিলেন না। এ কারণে এই হাসপাতালে কখনোই প্রসূতি অস্ত্রোপচার হয়নি।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, হাসপাতালে বর্তমানে অবেদনবিদ থাকলেও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ নেই।
উপজেলার জগৎপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আবদুল হাই বলেন, স্থানীয় লোকজন এখন আর কোনো প্রসূতিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিতে চান না। কারণ, সেখানে নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পাওয়া যায় না। প্রসূতিদের ফেনী সদর হাসপাতাল কিংবা কোনো বেসরকারি ক্লিনিকে নিতে হয়।
দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আলী করিম জরুরি প্রসূতি অস্ত্রোপচার না হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিগগিরই জরুরি প্রসূতি অস্ত্রোপচার চালুর পরিকল্পনা আছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে একই সময়ে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও অবেদনবিদ কেন থাকেন না?—এ প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য বিভাগ চট্টগ্রামের পরিচালক আলাউদ্দিন মজুমদার বলেন, চিকিৎসকদের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বদলি করা হয়। তিনি শুধু সুপারিশ করতে পারেন।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন