বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অন্য আবশ্যিক ও চতুর্থ বিষয়ের পরীক্ষা হবে না। এসব বিষয়ে জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে ‘ম্যাপিং’ করে নম্বর দেওয়া হবে।

দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর এই প্রথম পাবলিক পরীক্ষায় বসল শিক্ষার্থীরা। সবশেষ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হয়েছিল।

এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২২ লাখ ২৭ হাজার ১১৩ জন। গতবারের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩৩৪ জন। গতবার পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা হওয়ার পরের মাসে দেশে করোনার সংক্রমণ শুরু হয়। এরপর সারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়।

গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। এরপর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দিয়ে আবার দেশে পাবলিক পরীক্ষা নেওয়া শুরু হলো। এ পরীক্ষা শেষ হবে ২৩ নভেম্বর।

আন্তশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপকমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম আমিরুল ইসলাম গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, যেহেতু করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এখনো একেবারে শেষ হয়ে যায়নি, তাই অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ, তাঁরা যেন পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে ভিড় না করেন। সবাই যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন।

default-image

আজ সকাল ১০টায় বিজ্ঞান শাখার পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে শুরু হয়েছে এসএসসি পরীক্ষা।

সাধারণত, এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে ও এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিল মাসে শুরু হয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত ওই সময়ে এই দুই পরীক্ষা নেওয়া যায়নি। এখন ভিন্ন ব্যবস্থায় এসব পরীক্ষা হচ্ছে। এইচএসসি পরীক্ষা আগামী ২ ডিসেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ৩০ ডিসেম্বর।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন